sreesanth-2011-2

মহানগর ওয়েবডেস্ক: সাল ২০১৩। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়র লিগে স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগে এস শ্রীসন্থ ও তাঁর দুই রাজস্থান রয়্যালস সতীর্থ অজিত চন্ডিলা এবং অঙ্কিত চৌহানকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ।

এই ঘটনায় দেশের জোড়া বিশ্বকাপজয়ী পেসারকে আজীবন ক্রিকেট থেকে নির্বাসন করে বিসিসিআই। সাত বছর পর পুলিশি জেরার ঘটনা শোনালেন শ্রী। তিনি বলছেন, “যদি আমার জীবন ফিরে দেখা যায় তাহলে সবটাই যেন সেকেন্ডের ভগ্নাংশের বদলে গিয়েছিল। ম্যাচ শেষের পার্টির পর আমাকে পুলিশ তুলে নিয়ে যায়। টেরোরিস্ট ওয়ার্ডে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। মনে হয়েছিল কেউ যেন আমাকে বলির পাঁঠা বানাচ্ছে। টানা ১২ দিন টানা ১৬-১৭ ঘন্টা আমার সঙ্গে নির্যাতন চলেছিল। আমি সবসময় আমার বাড়ি আর পরিবারের কথা ভাবতাম। কিছুদিন পর আমার বড় দাদা এসেছিল দেখা করতে। তখন জানতে পারি পরিবার ঠিক আছে। আমার স্ত্রী আর পরিবারের লোক সবসময় আমার পাশে ছিল। তারাই মোটিভেট করে।”

শ্রীসন্থ বোর্ডের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আইনি লড়াই চালিয়ে যান । ২০১৫ সালে শ্রীসন্থকে নির্দোষ ঘোষণা করে দিল্লির এক আদালত। আর এর ঠিক তিন বছর পর তাঁর আজীবন নির্বাসনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে বোর্ডকে নির্দেশ দেয় কেরাল হাইকোর্ট। এর পরের বছর এই মামলায় দেশের সর্বোচ্চ আদালত শ্রীসন্থকে দোষী চিহ্নিত করে বোর্ডকে তাঁর শাস্তি কমানোর নির্দেশ দেয়। সুপ্রিম রায় শ্রীসন্থের আজীবন নির্বাসন কমিয়ে সাত বছর করে বোর্ড।

চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে সেই মেয়াদ শেষ হচ্ছে। মুক্ত হচ্ছেন শ্রীসন্থ। এরপর রঞ্জি ও আইপিএল খেলায় কোনও সমস্যা থাকবে না তাঁর

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here