kolkata bengali news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: গান্ধী-ম্যান্ডেলা ফ্রিডম সিরিজ দেখতে বসে মাঝে মাঝে ভিরমি লাগে, প্রতিপক্ষ দলটার নাম দক্ষিণ আফ্রিকা না অন্য কিছু। ভাইজ্যাগ, পুনের পর রাঁচিতেও সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। ভারতীয় বোলারদের সামনে কিছুতেই যেন কোনও প্রতিরোধের রাস্তা খুঁজে পাচ্ছে না ফাফ ডু’প্লেসির দল। রাঁচি টেস্টের তৃতীয় দিন লাঞ্চের বিরতির আগেই ভারতীয় বোলারদের হাতে ‘লাঞ্ছিত’ প্রোটিয়া শিবির। উমেশ, জাদেজাদের দাপুটে বোলিংয়ে ইতিমধ্যেই সাজঘরে হাফ ডজন দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটসম্যান। খেলার যা অবস্থা, তাতে মনে হয় আবারও ইনিংস জয়ই অপেক্ষা করছে বিরাট অ্যান্ড কোংয়ের জন্য।

দ্বিতীয় দিন ভারতের স্কোর যখন ৯ উইকেটে ৪৯৭, তখন ডিক্লেয়ার করার সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক বিরাট। ভারতের ব্যাটিংয়ের মূল ভিতটা গড়ে দিয়েছিল রোহিত ও রাহানে জুটিই। তড়িঘড়ি ৩ উইকেট হারানোর পর ইনিংস সামলে দেন এই দুই ব্যাটসম্যান। টেস্টে নিজের প্রথম দ্বিতীয় শতরান করার পর ২১২ রানে প্যাভিলিয়নে ফেরেন রোহিত। রাহানে ১১৫ রান করে আউট হন। জাদেজাও অল্প সময়ের জন্য ভালই খেলে দেন। ৫১ করেন তিনি। ঋদ্ধি করেন ২৪। তবে সবথেকে ঝড়ো ব্যাটিং এদিন করতে দেখা যায় উমেশ যাদবকে। মাত্র ১০ বলে ৩১ রান করে বিশ্বরেকর্ড করেন তিনি।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে চটজলদি দুই উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। এলগার ও ডি’কক-কে দ্রুত সাজঘরে ফেরান শামি ও উমেশ। ভারতীয় বোলাররা মাত্র ৫ ওভার হাত ঘোরানোর পরই খেলা বন্ধ করে দিতে হয়। দ্বিতীয় দিনের শেষে দুই উইকেট হারিয়ে ৯ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। আট উইকেট ও ৯ রান পুঁজি নিয়ে তৃতীয় দিন ব্যাট কোর্টে নামেন হামজা ও ডু’প্লেসি। কিন্তু সকালে প্রথম ঘণ্টাতেই উমেশের বল নাড়িয়ে দেয় ফাফের (১) উইকেট। যদিও এরপর কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন বাভুমা ও হামজা। দুইজনে মিলে ৯১ রানের পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন। এরপরেই স্পিনারদের নিয়ে আসেন কোহলি, আর তাতেই কেল্লা ফতেহ। জাদেজা ও নাদিমের ঘূর্ণিতে বোকা বনে ফিরে যান হামজা (৬২), বাভুমা (৩২), ক্লাসেন (৬)। লাঞ্চের বিরতিতে দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোর ৬ উইকেটের বিনিময়ে ১২৯। ক্রিজে আছেন জর্জ লিন্ডে (১০*) ও ডেন পিডেট (৪)। উমেশ ও জাদেজা দুটি করে এবং অভিষেক করা শাহবাজ নাদিম ও শামি নিয়েছেন ১টি করে উইকেট। দক্ষিণ আফ্রিকা এখনও ৩৬৮ রানে পিছিয়ে।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here