news national

মহানগর ওয়েবডেস্ক: কংগ্রেসের সঙ্গে শচীন পাইলটের সম্পর্ক হয়তো আর জোড়া লাগবে না। সোমবার বিকেল পর্যন্ত তো অন্তত জোড়া লাগার আর কোনও ইঙ্গিত পাওয়া গেল না। কেননা এদিনই বিদ্রোহী শচীন জানিয়ে দিয়েছেন তিনি রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দেখা করবেন না। ফলে কংগ্রেসের সংকট আরও গভীরতর হল বলা চলে।

৪৮ ঘণ্টার বেশি সময় হয়ে গিয়েছে, কংগ্রেস নেতৃত্ব পাইলটের সং যোগাযোগ করতে পারছে না। এর মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট আবার আবার গতকালই শচীনের বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ এনে নোটিশ দিয়েছিলেন। এতে আরও চটেছেন উপমুখ্যমন্ত্রী। এদিন যদিও নিজের বাসভবনে ৯৭ জন বিধায়ককে হাজির করে নিজের শক্তি প্রদর্শন করতে পিছপা হননি গেহলট। একই সঙ্গে প্রচ্ছন্নভাবে এই বার্তাও দিয়েছেন যে, বাকি বিধায়কদের সঙ্গে পাইলটের কোনও পার্থক্য নেই। তাঁকেও বাকিদের মতো দলের নির্দেশ মানতে হবে।

বলাই বাহুল্য, কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে থেকে সবুজ সংকেত পাওয়ার পরই পাইলটের ক্ষেত্রে এতটা কড়া অবস্থান নিয়েছে গেহলট শিবির। তবে গতকাল সারাদিন দিল্লিতে বসে থাকার পরও গান্ধী পরিবারের কেউ শচীন পাইলটের সঙ্গে দেখা করেননি। যা নিয়ে তিনি মারাত্মক অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন। এবার নেতৃত্ব গেহলট শিবিরকে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়ায় শচীন পাইলটের ক্ষোভের আগুনে ঘি পড়েছে বলা চলে। যার পরই তিনি রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দেখা করতে অস্বীকার করেছেন।

কংগ্রেসের তরফে যদিও ঘুরপথে শচীন পাইলটকে ঘরে ফেরানোর চেষ্টা চলছে। গতকাল জয়পুরের মুখ্য কংগ্রেস কার্যালয় থেকে আচমকাই পাইলটের সমস্ত পোস্টার সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তারপর এদিন কংগ্রেস মুখপাত্র রণদীপ সুরযেওয়ালা শচীনকে ফিরে এসে ভুল বোঝাবুঝি মিটিয়ে নিতে বলেন। কংগ্রেস কার্যালয়ে শচীনের পোস্টারও আবার লাগানো হয়েছিল। কিন্তু মনে হয় না এতে উপমুখ্যমন্ত্রীর গোঁসা কমেছে। তিনি কংগ্রেসের হাত ছাড়ার প্ল্যান করেই নিয়েছেন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

যদিও বিধায়কদের খুব বেশি সমর্থন শচীনের কাছে নেই। এদিন কংগ্রেসের তরফে সকল বিধায়কদের গেহলটের বাসভবনে আসার জন্য যে হুইপ জারি করা হয়েছিল তাতে সাড়া দিয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন ৯৭ জন। পাইলট সহ ১৬ জন আসেননি। শচীন পাইলট দাবি করেছেন, আসলে তাঁর হাতে ১৬ নয়, ৩০ জন বিধায়কের সমর্থন রয়েছে। আজ উপস্থিত অনেকেই গেহলটের সঙ্গে নেই বলেই দাবি করেছেন তিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here