মহানগর ওয়েবডেস্ক: একেবারে নজিরবিহীন ভাবে আমফান পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে দুষেছিলেন রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা মন্ত্রী সাধন পাণ্ডে। শহরের বিধায়কদের কেন মতামত নেওয়া হয়নি তা ববি হাকিমের কাছে জানতে চেয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খোলেন সাধন পাণ্ডে। আর সেই কারণে তাঁকে শোকজ করলো তৃণমূল শীর্ষনেতৃত্ব। দলীয় ফোরামে নিজের অভিযোগ না জানিয়ে কেন সংবাদমাধ্যমের সামনে নিজের দলের নেতার বিরুদ্ধেই মুখ খুললেন তিনি, তা জানতে চেয়ে সাধন পাণ্ডেকে শোকজ লেটার ধরিয়েছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।

সম্প্রতি মন্ত্রী সাধন পান্ডে অভিযোগ করেন, আমফান পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুরসভার পরিকল্পনার অভাব ছিল। একইসঙ্গে বর্তমান যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, সেই দায় কলকাতা পুরসভাকে নিতে হবে বলেই সাফ জানিয়ে দেন সাধন বাবু। তিনি বলেন, ‘কেন দুটি সংস্থা থাকবে না। শুধুমাত্র এনাফ ইজ এনাফ বললে হবে না। সিইএসসি একটা মনোপলি সংগঠন।’ পাশাপাশি ক্রেতা সুরক্ষা মন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, ‘কেন বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক করা হল না? কেন তাদের মতামত নেওয়া হল না? কেন শোভন চট্টোপাধ্যায়কে ডাকা হল না?’

এরপরেই ক্রেতা সুরক্ষা মন্ত্রীর কথার পাল্টা জবাব দেন পুরমন্ত্রী তথা কলকাতা পুরসভার প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম। তাঁর জবাব, ‘আলাদা করে কাউকে ডাকার মত সময় ছিল না। সাধনদার পরামর্শ দেওয়ার থাকলে তিনি কেন নিজে এলেন না কর্পোরেশনে।’

অন্যদিকে, সাধন পান্ডের বক্তব্য, ‘ফিরহাদ হাকিম প্রশাসক হিসেবে বসেছেন ঠিকই কিন্তু পরিকল্পনার অভাব ছিল। কোনও দিনই কারো সঙ্গে তিনি আলোচনা করেননি।’ এই প্রসঙ্গে ফিরহাদের অবশ্য পাল্টা যুক্তি, ‘যাদের সাথে বৈঠক করার প্রয়োজন তাদের সাথে বৈঠক করা হয়েছে। নবান্নে বৈঠক করে এ সমস্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সবার সঙ্গে আলাদা করে বৈঠক করার মত সময় এটা নয়। আমি রাস্তায় নেমে কাজ করবো নাকি লোকের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ঘুরবো। আমি রাস্তায় নেমে কাজ করছি। বাড়ি বসে বড় বড় কথা বললে চলবে না।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here