kolkata news

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: মোবাইলে গ্রামের মহিলাদের স্নানের ছবি তোলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল বাঁকুড়ার রাইপুর থানার সিমলি গ্রামে। অভিযোগ কংসাবতী নদীর সিমলি ঘাটে বালি কারবারিরা গ্রামের মহিলাদের স্নানের ছবি তোলার চেষ্টা করে। প্রতিবাদে গ্রামের মানুষ ওই ঘাটে বালি কারবারিদের অফিস ভাঙচুর করে। পরে রাইপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গ্রামবাসীদের ওপর নির্বিচারে লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ।

লকডাউনের জেরে এখন বাঁকুড়া জেলা জুড়ে বন্ধ রয়েছে বালি উত্তোলন ও পরিবহণ। কিন্তু, সেই নিষেধাজ্ঞাকে থোড়াই কেয়ার। বাঁকুড়ার রাইপুর থানার সিমলি গ্রাম লাগোয়া কংসাবতী নদীর ঘাটে প্রকাশ্যে দিনের বেলাতেই রমরমিয়ে চলছে নদী থেকে বালি উত্তোলন ও পরিবহণ। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, যে ঘাটে বালি তোলা হচ্ছে, তার পাশেই রয়েছে গ্রামের মানুষের স্নানের একমাত্র ঘাট। শুক্রবার ওই স্নান ঘাটে গ্রামের মহিলারা স্নান করতে গেলে বালি কারবারিরা মহিলাদের স্নানের ছবি তোলার চেষ্টা করে।

বিষয়টি জানাজানি হতেই শুক্রবার সন্ধ্যায় গ্রামের মানুষ ক্ষিপ্ত হয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় বালি কারবারিদের অফিসে। এরপরই রাইপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গ্রামবাসীদের ওপর নির্বিচারে লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ। পুলিশের লাঠির আঘাতে গ্রামের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে দাবি গ্রামবাসীদের। রাতে খাতড়ার এসডিপিও বিবেক বর্মার নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে যায়। গ্রামে যান স্থানীয় বিধায়ক বীরেন্দ্রনাথ টুডু ও রাইপুর পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি রাজকুমার সিংহ। গ্রামবাসীদের সঙ্গে আলোচনা করে শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here