মহানগর ওয়েবডেস্ক: নানা বিতর্ক, অশান্তি ও হাতাহাতি। শেষপর্যন্ত মার খেতেও হয়েছিল পরিচালক সঞ্জয় লীলা বনশালিকে। তাঁর ‘পদ্মাবৎ’ সিনেমার জন্য এই বিতর্ক বারেবারে উঠে এসেছিল। সিনেমার শ্যুটিং কভারেজ কিংবা মুক্তির দিন ও নাম নিয়ে। যদিও বহু সংগ্রামের পড় বলিউডে মুক্তি পায় ‘পদ্মাবৎ’। তারপরেই বক্স অফিসে ভালো ব্যবসা করে ও সমালোচকদের কাছে প্রশংসা কুড়োয় সঞ্জয় লীলা বনশালি। তাঁর পরিনাম স্বরূপ গতকাল ৬৬ তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের তালিকায় তিনটে বিভাগে পুরস্কার ছিনিয়ে নিয়েছে ‘পদ্মাবৎ’।

রাজপুত সেনা কিংবা কার্নি সেনার হুমকি ও মার থেকে বেঁচে এই সাফল্য পেয়েছেন সঞ্জয়। সেই প্রসঙ্গে গতকাল তিনি জানান, ”আমি নানা অশান্তির মাঝে পদ্মাবৎ বানিয়েছিলাম। আমার কেরিয়ারে সবচেয়ে কঠিন তম সিনেমা ছিল পদ্মাবৎ। যেখানে আমাকে মার খেতে হয়েছে, সেট পড়ানো হয়েছে বারবার, ধর্ণা দিয়েছে লোকে। এই সিনেমাকে আটকানোর জন্য যত সাধ্য চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু যখন আমি খারাপ সময়ের মাধ্যমে যাচ্ছিলাম তখন একটা ভালো গান বানালাম। এটা খুবই ইতিবাচক জয় আমার কাছে।” নিজের সিনেমা সম্পর্কে সঞ্জয় জানান, ”যে কোনও ক্রিয়েটিভ জায়গায় একজন শিল্পীকে নানা বাধা ও পরিশ্রমের মাধ্যম দিয়ে যেতে হয়। আমার ক্ষেত্রে আরও বেশি করা হয় কিন্তু ইতিবাচক দিকটা নিয়েই ভাবতে হয়। গানটির রেকর্ডিং করার জন্য স্টুডিওতে প্রবেশ করেছিলাম। তারপরেই বাইরে থেকে নানা চিৎকার, ধর্নার আওয়াজ আসে কিন্তু আমি নিজের মনে গান বানিয়ে গিয়েছিলাম। কারণ এটা আমার হৃদয় থেকে এসেছিল যেটা মানুষের মনকে ছুঁয়ে গিয়েছে।”

গতকাল অ্যাওয়ার্ড পাওয়া নিয়ে সঞ্জয় জানান, ”যখন সরকারের ঘর থেকে অ্যাওয়ার্ড আসে তখন তাঁর সম্মানটাই আলাদা। এটা আপনাকে আরও উৎসাহ দেয় কাজ করতে। এটাই পরম পাওনা একজন শিল্পীর কাছে।” সঞ্জয় লীলা বনশালির ‘পদ্মাবৎ’ সিনেমাতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছিল দীপিকা পাডুকোন, রণবীর সিং, শাহিদ কাপুর ও জিম শার্বকে। ৬৬ তম জাতীয় পুরস্কারে সঙ্গীত পরিচালনা, ‘ঘুমর’ গানের কোরিওগ্রাফি ও ‘বিন্তে দিল’ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে সেই প্রসঙ্গে সঞ্জয় জানান, ”সঙ্গীত আমার কাছে সবকিছু, সঙ্গীতই আমার জীবন।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here