kolkata bengali news

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিউড়ি: বিগত কয়েকদিনে তাঁকে ঘিরে জলের দাবিতে বিক্ষোভ হয়েছে তাঁরই লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত বেশকিছু এলাকায়৷ জলের সমস্যা মিটে যাবে বলে বিক্ষুব্ধ জনতাকে আশ্বস্ত করেছিলেন বিদায়ী সাংসদ শতাব্দী রায়৷ তবে আজ দিনটা ছিল একটু অন্যরকম৷ এবার ক্ষোভ নয় মানুষের ভালোবাসা কুড়োলেন তিনি৷ হয়তো ভাবেননি প্রচারে বেরিয়ে এরকম অভিনব উপহার পাবেন৷  ভোট প্রচারে বেরিয়ে অভিনব মালা উপহার পেয়ে আপ্লুত বীরভূম লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তথা বিদায়ী সাংসদ শতাব্দী রায়। এক সংখ্যালঘু প্রান্তিক চাষি তাদের প্রিয় বিদায়ী সাংসদ প্রার্থীকে তার ক্ষেতের ফসল তুলে দিলেন। সেই উপহার চাষির হাত থেকে সানন্দে গ্রহণ করে শতাব্দী বললেন, ‘এতে এক বছর রান্না হয়ে যাবে আমার।’

মালা বলতে গাঁদা ফুল, গোলাপ ফুল, রজনীগন্ধা, চন্দ্রমল্লিকা বা বেলি ফুলের মালাই বুঝি আমরা। সে সব কিছুই নয়, এবার এক চাষী প্রচারের সময় পেঁয়াজের মালা উপহার দিলেন তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী  রায়কে। প্রায় কুড়ি ফুট লম্বা ওই পেঁয়াজের মালাটি। বৃহস্পতিবার তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায়ের দুবরাজপুর বিধানসভার লোবা এলাকায় রোড শো ছিল। বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে এদিন দুপুরে রোড শো-এর কনভয় গাড়ি ফকিরবেরা গ্রামে যায়। সেখানেই আগে থেকে নিজের ক্ষেতের পেঁয়াজের মালা তৈরি করে প্রস্তুত ছিলেন প্রায় বছর পঞ্চাশের চাষি সিরাজুল শেখ। গ্রামের অন্যান্য মানুষের মতো সিরাজুল শেখ রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে শতাব্দী রায়ের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। কাছে আসতেই সাংসদ গাড়ি থামাতেই তৃণমূল প্রার্থীর হাতে সুবিশাল পেঁয়াজের মালাটি তুলে দেন ওই চাষি।

সঙ্গে সঙ্গে শতাব্দী রায় সঙ্গে থাকা এক তৃণমূল কর্মীকে তাঁর নিজের গাড়িতে পেঁয়াজের মালাটি রেখে দিতে বলেন। ‘বিগত কয়েক দিনে তাঁকে ঘিরে যে বিক্ষোভ হয়েছিল তাতে বিরোধীরা সমালোচনায় মুখর হয়েছিল৷ এদিন এরকম একটি অভিনব উপহার পেয়ে বিরোধীদের উদ্দেশ্য করে  তিনি বলেন, একটা সম্পর্ক ও ভালবাসা থেকেই এই ধরণের উপহারের চিন্তা মানুষের মনে আসে। ঐ চাষী আমাকে পেয়াজের মালা দিয়েছে তাতে আমি আপ্লুত। এই উপহার আমার মনে থাকবে। মানুষের পাশে থেকে ভালো কাজ করলে এই উপহার পাওয়া যায়।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here