ডেস্ক: ২০১৯ লোকসভা যুদ্ধে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন গুজরাটের তরুণ তুর্কি হার্দিক প্যাটেল। সম্প্রতি তিনি আবার যোগ দিয়েছেন জাতীয় কংগ্রেসে। ফলে তাঁকে ঘিরে উৎসাহ ও উন্মাদনাও চরমে। ২০১৭ গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনের সময়ই বিজেপি শিবিরে জোর আঘাত হেনে কংগ্রেসকে বাড়তি সুবিধা পাইয়ে দিয়েছিলেন তিনি। তবে এত কম বয়সে উত্থান সত্ত্বেও বিতর্ক হামেশাই তাড়া করে বেরিয়েছে হার্দিককে। বছরখানেক আগে সোশ্যাল মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল তাঁর একটি গোপন ভিডিও। যেখানে এক মহিলার সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখা যায় তাঁকে। ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের আগে ফের সেই ভিডিওকে হাতিয়ার করেই তাঁকে পর্যুদস্ত করার চালানো হচ্ছে। তবে বিরোধীদের দ্বারা নয়। হ্যাকারদের দ্বারা।

গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনের আগেও হার্দিককে বেকায়দায় ফেলতে এই টেপই ব্যবহার করা হয়েছিল। আবারও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেখতে পাওয়া যাচ্ছে লোকসভার আগে। শুক্রবার গুজরাট প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির ওয়েবসাইট হ্যাক হয়ে যায়। আর সেই ওয়েবসাইট খুলতেই সামনে উঠে আসে হার্দিকের বহুল চর্চিত সেই ‘সেক্স টেপ’। যদিও গতবারের মতো এবার সেই ভিডিও প্রকাশ করা হয়নি। কিন্তু বিছানায় ওই মহিলার সঙ্গে বসে থাকার দৃশ্য কারসাজি করে ছেড়ে দেওয়া হয় কংগ্রেসের ওয়েবসাইটে। ঘটনা চোখে পড়ার পরই নড়েচড়ে বসে কংগ্রেসের সোশ্যাল বাহিনী। ইতিমধ্যেই জাতীয় নির্বাচন কমিশন এবং সাইবার ক্রাইম বিভাগে অভিযোগ দায়ের করেছে গুজরাট কংগ্রেস। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ওয়েবসাইটটিও। যত ক্ষণ না পর্যন্ত আগের অবস্থায় একে ফিরিয়ে আনা যায় তত ক্ষণ এই ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করা যাবে না বলে জানান হয়েছে কংগ্রেসের তরফ থেকে। তবে এই নিয়ে কংগ্রেসকে কটাক্ষ হজম করতে হয়েছে বিজেপি।

 

তবে মনে করিয়ে দেওয়া যাক, দিন কয়েক আগেই একই ভাবে হ্যাক করা হয়েছিল বিজেপির অফিশিয়াল ওয়েবসাইট। খুললেই ভেসে আসছিল নরেন্দ্র মোদীর আপত্তিকর ছবি। সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ করে দেওয়া হয় ওয়েবসাইটটি। যা এখনও পর্যন্ত আগের অবস্থায় ফেরেনি। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, সেই সময় ওয়েবসাইটটি ঠিক করে দেওয়ার জন্য সাহায্যও করতে আগ্রহ দেখিয়েছিল কংগ্রেস। বলাই বাহুল্য সেই সাহায্য গ্রহণ করেনি বিজেপি। এবার কংগ্রেসকেও একই পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হল। একই সঙ্গে ওয়েবসাইট কবে আগের অবস্থায় ফিরে আসবে, তাও নিশ্চিত ভাবে জানানো সম্ভব হচ্ছে না কংগ্রেসের তরফে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here