ডেস্ক: দেশ জুড়ে দলিত বিক্ষোভ এবং ভারত বনধের জন্য কার্যত জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে দেশজুড়ে। তবে এই বিক্ষোভ-আন্দোলনকে বিন্দুমাত্র পাত্তা দিতে নারাজ শীর্ষ আদালত। সুপ্রিমকোর্টের রিভিউ পিটিশনকে কোনও রকম আমল না দিয়ে আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিল, যারা আন্দোলনে সামিল হয়েছেন তাঁরা নির্দেশগুলি ভালো করে পড়েননি। কোনও নিরপরাদ ব্যক্তিকে জেলে ভরা ঠিক নয়।

এদিন আদালতে সাওয়াল জবাবের সময় অ্যার্টনি জেনারেল জানান, দলিতদের ডাকা বনধে যে ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল তা অনেকটা জরুরি অবস্থার মতো। একাধিক মানুষের মৃত্যু নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। অন্যদিকে, অ্যার্টনি জেনারেলের এই মন্তব্যের বিরোধিতা করে অমরেন্দ্র শরণ জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা সরকারের দায়িত্ব। রাজ্য তার দায়িত্ব পালন করবে। মূল কথা কোনও রকমভাবেই এসসি, এসটি সুরক্ষা আইনকে শিথিল করার পিটিশনকে গুরুত্ব দিতে নারাজ কেন্দ্র। একইসঙ্গে এদিন লোকসভায় দলিত বিক্ষোভের এই পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজনাথ সিং বলেন, দলিতদের অধিকার রক্ষায় কোনওরকম আপস করবে না সরকার। আর তার জন্য আদালতে রিভিউ পিটিশনও দাখিল করেছে সরকার।

উল্লেখ্য, গত ২০ মার্চ তপশিলি জাতি ও উপজাতি নি‌র্যাতন আইনের কয়েকটি ধারার উপর কিছু নির্দেশিকা জারি করে সুপ্রিম কোর্ট। সেখানে বলা হয়, ওই আইনে কোনও সরকারি কর্মীকে গ্রেফতার করতে গেলে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অনুমতি নিতে হবে। পাশাপাশি তপশিলি জাতি ও উপজাতিদের উপরে কোনও অত্যাচারের ঘটনায় মামলা করতে গেলে ডিএসপি প‌র্যায়ের তদন্ত করতে হবে। ঠিক তারপরেই উত্তরের বিভিন্ন রাজ্যে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় দলিত বিক্ষোভ। ভারত বনধের ডাক দেয় তারা। ঘটনার জেরে হিংসায় এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১১ জনের।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here