Home Latest News হাবরায় ডেঙ্গুতে এবার প্রাণ গেল স্কুল শিক্ষকের, মৃতের স্ত্রীকে চাকরি দেওয়ার দাবি এলাকাবাসীর

হাবরায় ডেঙ্গুতে এবার প্রাণ গেল স্কুল শিক্ষকের, মৃতের স্ত্রীকে চাকরি দেওয়ার দাবি এলাকাবাসীর

0
হাবরায় ডেঙ্গুতে এবার প্রাণ গেল স্কুল শিক্ষকের, মৃতের স্ত্রীকে চাকরি দেওয়ার দাবি এলাকাবাসীর
Parul

নিজস্ব প্রতিবেদক, বারাসত: ডেঙ্গু ক্রমে থাবা ছড়াচ্ছে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হাবরায়। এবার ডেঙ্গুর থাবায় প্রাণ গেল এক স্কুল শিক্ষকের। ধীমান কান্তি মল্লিক (৪১) নামে ওই স্কুল শিক্ষক হাবরারই বাসিন্দা। তাঁর অকাল মৃত্যুর জন্য স্থানীয় পুর-প্রশাসনকেই দায়ী করেছে এলাকাবাসী। কেননা এই নিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৩ জনের মৃত্যু হল হাবরায়। অন্যদিকে, ধীমানবাবুর পরিবারকে বাঁচাতে তাঁর স্ত্রীকে চাকরি দেওয়ার ব্যাপারে শিক্ষামন্ত্রী ও প্রশাসনের কাছে দাবিও জানিয়েছে হাবরার বাসিন্দারা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হাবরার বাসিন্দা ধীমান কান্তি মল্লিক স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন। গত সপ্তাহের শেষ থেকেই তিনি জ্বরে আক্রান্ত হন। তারপর মঙ্গলবার তিনি বারাসাতের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি হন। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় কলকাতার বাইপাসের এক বেসরকারি হাসপাতালে ধীমানবাবুকে স্থানান্তরিত করা হয়। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। ওই হাসপাতালেই শুক্রবার দুপুর তিনটে নাগাদ তাঁর মৃত্যু হয়। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েই ধীমান মল্লিকের মৃত্যু হয়েছে বলে হাসপাতালের চিকিত্সকরা জানিয়েছেন। এরপর শুক্রবার গভীর রাতে তাঁর দেহ হাবড়ার বাড়িতে আসে। এভাবে শিক্ষকের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমেছে। পাশাপাশি ধীমানবাবুর অকাল মৃত্যুর জন্য হাবরা পুরসভাকে দায়ী করে জঞ্জাল পরিষ্কার সহ একাধিক বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তাঁর পরিবার ও এলাকাবাসী। তাঁদের অভিযোগ, এলাকায় নিয়মতি সাফাই অভিযান হয় না। তার ফলেই ডেঙ্গুর মশার বাড়বাড়ন্ত হয়েছে।

অন্যদিকে, পরিবারের একমাত্র কর্মজীবী ছিলেন ধীমানবাবু। তাঁর অকাল-মৃত্যুতে বছর সাতেকের ছেলেকে নিয়ে অথৈ জলে পড়েছেন ধীমানবাবুর স্ত্রী। কিভাবে পেট চালাবেন, ছেলেকে বড় করবেন- তা ভেবে কুল পাচ্ছেন তিনি। তাই তাঁর চাকরির ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য শিক্ষামন্ত্রী ও প্রশাসনের কাছে আবেদনও জানিয়েছেন এলাকাবাসী। সরকার ধীমানবাবুর পরিবারের পাশে না দাঁড়ালে তাঁরা ভেসে যাবে বলেও তাঁরা আবেদনপত্রে জানিয়েছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here