ডেস্ক: কবির জন্ম তিথিতে, কাজি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে সাম্মানিক ডিলিট পেলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার আসানসোলে কাজি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, রাজ্যপাল কেশরী নাথ ত্রিপাঠী সহ আরও অনেকে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফ থেকে সাম্মানিক ডিলিট পাওয়ার পর সভামঞ্চে বক্তব্য রাখতে উঠে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ উপস্থিত প্রত্যেককে ধন্যবাদ জানান হাসিনা। তিনি বলেন, ‘এখানে আসতে পেরে আমি গর্বিত ও সম্মান বোধ করছি। এই দিনটি আমার কাছে ভীষণভাবেই তাৎপর্যপূর্ণ।’ এরপরই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কবির নামে এই বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন ও কবির জন্মভূমি চুরুলিয়ার সংস্কার করার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অসংখ্য ধন্যবাদ।’ একইসঙ্গে তিনি বলেন, নজরুল ইসলামের নামে এই বিশ্ববিদ্যালয় বলেই এখানে ডিলিট নেওয়ার জন্য রাজি হয়েছেন তিনি। এরপরই তার কন্ঠে চলে আসে মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ। ভারতকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতবাসী আমাদের পাশে ছিল। অনেক ত্যাগ তাঁদেরকেও করতে হয়েছে। এর জন্য ভারতের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। ভারতে সর্বদা একটি গণতান্ত্রিক ধারা ছিল কিন্তু আমাদের তা ছিল না। ভারত-বাংলাদেশ এই বন্ধুত্বের সম্পর্ক দীর্ঘজীবী হোক।’

এদিকে, ভাগাড় কান্ড নিয়ে চাঞ্চল্য শুরু হতেই কাজি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে হাসিনার খাদ্য তালিকা থেকে বাদ পড়েছে মাংস। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তরফে জানান হয়েছে, ‘মাংসের পরিবর্তে শেখ হাসিনার মধ্যাহ্নভোজের তালিকায় থাকবে, ভাত, ডাল, আলুভাজা, চিংড়ির কাটলেট, ডাব চিংড়ি, ভেটকি পাতুরি, বড়ি দিয়ে পাবদা মাছের ঝোল। সেই সঙ্গে বর্ধমানের মাখা সন্দেশ, সীতাভোগ, মিহিদানা, রাবড়ি, জিলপি।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here