ডেস্ক: গুজরাটের অভিজাত স্কুলের শৌচালয় থেকে উদ্ধার হল নবম শ্রেণীর ছাত্র দেব তাদভির মৃতদেহ। এই ঘটনায় গুরুগ্রামের রায়ান ইন্টারন্যাশানল স্কুলের প্রদ্যুন্ন ঠাকুরের খুনের কথা আরও একবার মনে করিয়ে দিল। মৃত ছাত্রের বয়স ১৪ বছর। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার স্কুলের শৌচালয় থেকে পাওয়া যায় ওই ছাত্রের নিথর দেহ। মৃতদেহের পাশ থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি রক্ত মাখা ছুরি। পুলিশি তদন্তে বারবার একটাই প্রশ্ন উঠে এসেছিল এই খুনের রহস্য কী ছিল? প্রাথমিক তদন্তের পর জানা যায় দশম শ্রেণীর একটি ছাত্রই এই খুনের সাথে জড়িত ছিল। পুলিশি জেরার মুখে সে স্বীকার করেছে বহুদিন ধরেই সে এই ছক করেছিল। দশম শ্রেণীর ওই ছাত্র স্কুলে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের থেকে বারবার বিভিন্ন কারণে বকুনি খেত। যার দরুণ তার মধ্যে ধীরে ধীরে ক্ষোভ জমছিল। সেই ক্ষোভ থেকেই সে স্কুলের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে এই ঘটনাটা ঘটিয়েছে।

পুলিশ কমিশনার মনোজ শশীধর জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তে মৃতের শরীরে ১৫ টি জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রেয়েছে। পুলিশের অনুমান আরও চারজন কমপক্ষে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল। তবে তাদের নাম এখনও জানা যায়নি। অভিযুক্তকে আটক করে জেরা করা হচ্ছে, যাতে বাকিদের নাম সামনে আসে।