ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে কেন্দ্র থেকে সরাতে প্রবলভাবেই উদ্যোগী বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। কংগ্রেস থেকে শুরু করে সপা-বসপা, তৃণমূল, সকল রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বরা নমো সরকারকে পর্যুদস্ত করতে কোমর বেঁধেছে। বিজেপিকে হারানোর ভাবনা বাস্তবায়িত করতে মহাজোটের সিদ্ধান্তও প্রবলভাবে সামনে এসেছে। যেখানে কংগ্রেস, তৃণমূল সপা, বসপা সকলেই একজোট হয়েছে। কিন্তু রাজ্য নিরিখে সমীকরণটা সম্পূর্ণই অন্য। উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসকে ধাক্কা দিয়ে জোট করেছে অখিলেশ-মায়াবতীর সপা-বসপা। সেই জোট নিয়েও জাতীয় রাজনীতি তোলপাড়। কিন্তু মায়াবতী ঘোষণা করেছেন তিনি আসন্ন লোকসভায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না। তবে শুধু মায়াবতী নন, মহাজোটের অন্য মাথা এনসিপি-র প্রধান শরদ পাওয়ারও জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি নির্বাচনে লড়বেন না। শরদ পাওয়ার ও মায়াবতীর মতো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নির্বাচনে না লড়ায় বিজেপিরই ফায়দা দেখছে তার শরিক শিবসেনা।

বসপা সুপ্রিমো ও এনসিপি প্রধানের আসন্ন লোকসভায় না লড়ার সিদ্ধান্তই পরিস্কার করে দিচ্ছে যে, এবারের নির্বাচনে জয়ী হচ্ছে এনডিএ-ই। ‘সামনা’তে দাবি করা হয়েছে, মায়াবতী এবং শরদ পাওয়ারের লোকসভা নির্বাচনে না লড়াটা এনডিএ-কে প্রবল সুবিধা দেবে। নরেন্দ্র মোদীর জয়ের জন্য রাস্তা তৈরি করবে। এই দুই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের না লড়াটা প্রধানমন্ত্রী পদের প্রতিদ্বন্দ্বিতাও কম করবে বলে জানিয়েছে শিবসেনা। এইক্ষেত্রে মায়াবতী ও শরদকে কটাক্ষও করেছে তারা। মায়াবতী প্রসঙ্গে বলা হয়েছে যে, তিনি সারা দেশে নিজের দলের হয়ে প্রচার করছেন কিন্তু নিজে নির্বাচনে লড়তে চাইছেন না। অন্যদিক, শরদবাবু বিরোধীদের বিজেপির বিরুদ্ধে একত্রিত করতে চাইছেন, অথচ নিজের পরিবারের সদস্যদের বা দলের কর্মীদের উদ্বুদ্ধ করতে পারছেন না।

 

এতো গেল মায়াবতী এবং শরদ পাওয়ারের কথা। প্রিয়ঙ্কা গান্ধী ভাদরাকে নিয়েও মন্তব্য করা হয়েছে শিবসেনার তরফে। বলা হয়েছে, উত্তরপ্রদেশে সপা-বসপা যে জোট করেছে তাতে আখেরে তাদের কোনও লাভই হবে না। কারণ, তাদের ভোট নষ্ট করবেন প্রিয়ঙ্কা। শিবসেনার মতে, উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেস এবং মায়াবতীর ভোটব্যাঙ্ক প্রায় সমান। সেই ক্ষেত্রে প্রিয়ঙ্কা হবেন কংগ্রেসের ‘ট্রাম্প কার্ড’।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here