Parul

মহানগর ডেস্ক: এক সভায় মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস বলেছেন , “শিবসেনা কখনোই তাদের শত্রু ছিল না।” এরকম মন্তব্যের পর প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কি আবার পুরনো ‘বন্ধু’কে ফিরে পেতে চাইছে চাইছে বিজেপি?

ads

শনিবার, একটি পুর্ণমিলন সভায় উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং শিব সেনার দলীয় সদস্যরা। সেখানে দেবেন্দ্র ফড়নবিসকে জোট গঠনের ব্যাপারে প্রশ্ন করায় তিনি জানান, ‘শিবসেনা কখনোই আমাদের শত্রু ছিল না। এক সময় যে দলের বিরুদ্ধে তারা সোচ্চার হয়েছিল, পরে সেই দলের সঙ্গেই জোট করে সরকার গঠন করেছে।’ জোট গঠন প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘পরিস্থিতি বিবেচনা করে যথার্থ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’ উদ্বব ঠাকরেদের প্রতি দেবেন্দ্রর এই নরম সুর স্বভাবতই জাগাচ্ছে কিছু প্রশ্ন।
          
অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত এর অফিস ক্ষয়-ক্ষতির প্রসঙ্গে একে অপরের দিকে যথেষ্ট কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি করেছিল এই দুই দল। বিরোধিতার এই আঁচ চাপা পড়েছে কিছুকাল আগেই। গত মাসে এক সভায় মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্বব ঠাকরে ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মুখোমুখি হয়েছিলেন। উদ্বব তখন জানিয়েছিলেন, এ’টি নিছকই এক ব্যক্তিগত সভা। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই।
     
শিবসেনার সংসদীয় সদস্য সঞ্জয় রাওত এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমাদের মধ্যে রাজনৈতিক মতাদর্শের পার্থক্য রয়েছে, কিন্তু যখন আমরা সামনা-সামনি হ‌ই, তা যথেষ্ট হৃদ্যতার সঙ্গে হয়।’ ভারতীয় রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারের আগে বহু আঞ্চলিক দলের সঙ্গে সখ্যতা ছিল গেরুয়া শিবিরে। পরবর্তীকালে জোট শরিকদের অনেকেই অভিযোগ করেছেন, ‘কথা রাখেনি বিজেপি’। শেষ পর্যন্ত জোট ছেড়েছে কিছু দল। মূলত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে গড়িয়েছিল বিজেপির বিজয় রথের চাকা। সম্প্রতি একাধিক রাজ্যের নির্বাচনে প্রত্যাশিত ফল করতে পারেনি গেরুয়া শিবির। প্রশ্নটা উঠেছিল ‘মোদি ম্যাজিক’ নিয়ে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, আগের থেকে জনপ্রিয়তা হারিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here