kolkata bengali news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: ‘ইয়ে দোস্তি হাম নেহি টোড়েঙ্গে’, ‘বাসান্তি ইন কুত্তো কে সামনে মাত নাচনা’, ‘কিতনে আদমি থে’… এই সংলাপ এবং গানের লাইন মনে করিয়ে দেয় ‘শোলে’-র কথা। চিত্রনাট্য,  অভিনয়, সংলাপ এবং ছবির গান শুনলেই মনে পড়ে যায় পুরনো দিনের কথা। ১৯৭৫-র ১৫ অগস্ট মুক্তি পায় রমেশ সিপ্পি পরিচালিত ‘শোলে’। ছবিতে ‘ঠাকুর’, ‘গব্বর’, ‘বাসান্তি’, ‘জয়’ এবং ‘ভীরু’ এই চরিত্রগুলি আজীবন অমর হয়ে থাকবে সিনেমাপ্রেমীদের কাছে। মুখ্য চরিত্রে দেখা গিয়েছিল অমিতাভ বচ্চন, ধর্মেন্দ্র, হেমা মালিনী, জয়া ভাদুরি, সঞ্জীব কুমার, আমজাদ খানকে। আজও এই ছবির সংলাপ সকলের মুখে শোনা যায়। এটি এমন একটি ছবি যা জেনেরেশনের পর জেনেরেশন মনে রাখবে। টিভির পর্দায় আজও ছবিটি সস্প্রচারিত হলে মিস করতে কেউ ভোলে না, এমনই বললেন পরিচালক। ‘শোলে’-র আজ ৪৪ বছর পূর্ণ করল। কিছুটা হলেও আবেগঘন হয়ে পড়েন রমেশ সিপ্পি।

তিনি বলেন, ‘এটা দেখে ভালো লাগল যে ‘শোলে’-র ৪৪ বছর পূর্ণ হল। সব জেনেরেশনই ছবিটিকে ভালোবাসা দিয়েছে। এত মানুষের ভালোবাসা পেয়ে নিজেকে ধন্য মনে করছি।’ ছবি প্রযোজনার দায়িত্বে ছিলেন জিপি সিপ্পি এবং চিত্রনাট্য সালিম-জাভেদের। সালিম-জাভেদ অমিতাভ বচ্চনের বেশ কয়েকটি ছবিতে হিট ডায়লগ লিখেছিলেন। ‘শোলে’-তে দু’জন কুখ্যাত অপরাধীর ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন ধর্মেন্দ্র এবং অমিতাভ। তাদের দুজনকে ধরে নিয়ে আসেন ‘ঠাকুর’ অর্থাৎ সঞ্জীব কুমার। এরপর শুরু হয় গল্প। গব্বরের অত্যাচারের হাত থেকে রক্ষা পেতে ‘ঠাকুর’ ওই দুই অপরাধীদের প্রশিক্ষণ দেয় এবং শেষে গব্বরকে মাত করতে সফল হয়। এর পাশাপাশি দুই বন্ধুর বন্ধত্বের কাহিনিকেও দেখানো হয়েছে ছবিতে। ‘ইয়ে দোস্তি হাম নেহি টোড়েঙ্গে’ গানটিতে দেখা গিয়েছিল অমিতাভ বচ্চন এবং ধর্মেন্দ্রকে। গানটি গেয়েছিলেন মান্না দে এবং কিশোর কুমার।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here