নিজস্ব প্রতিবেদক, বারুইপুর: ‘এবার চলো দিল্লি, ভারতে বাঙালি প্রধানমন্ত্রী করতে হবে। বিজেপির নৌকা ফুটো হয়ে গিয়েছে। ভারতকে বেচে দিয়েছে বিজেপি সরকার। তাই ওদের হারা শুরু হয়ে গিয়েছে। বিজেপিকে ১০০’র নিচে নামাতে হবে। পাঁচ বছর আগে লোকসভায় আমরা ৩৪টা আসনে পেয়েছিলাম, এবার ৪২টাই জিতব। তারপরই দিল্লিতে মমতা ব্যানার্জি’র নেতৃত্বে ফ্রেডারেল ফ্রন্টের সরকার হবে।’ শুক্রবার এভাবেই ২১শে জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভায় আসা দলের কর্মীসমর্থকদের উৎসাহিত করলেন রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারি। এদিন দক্ষিন ২৪ পরগনা জেলার বারুইপুরের নিউ ইন্ডিয়ান মাঠে জেলা আইএনটিটিইউসি’র উদ্যোগে আয়োজিত ওই জনসভায় শুভেন্দু অধিকারি ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিধানসভার অধ্যক্ষ বিধায়ক বিমান ব্যানার্জি, বিধায়ক নির্মল মণ্ডল, বিশ্বনাথ দাস, ফিরদৌসি বেগম সহ জেলার অন্য বিধায়করা। উপস্থিত ছিলেন জেলার আইএনটিটিইউসির সভাপতি শক্তিপদ মণ্ডল, চেয়ারম্যান শক্তি রায় চৌধুরী, বারুইপুরের আইএনটিটিইউসি সভাপতি বিভাস সর্দার সহ অন্যরা।

এদিন শুভেন্দু অধিকারি বলেন,’সিপিএম সাইন বোর্ডে পরিনত হয়েছে। সাম্প্রদায়িক মিথ্যাবাজ বিজেপিকে রুখে দিতে হবে গনতান্ত্রিক উপায়ে। প্রকৃত গান্ধীবাদি কংগ্রেস কর্মীরা এখন তৃনমূলে। আমরা জিতব, বিজেপি হারবে, বাংলায় তৃনমূলকে জেতাবে মানুষ, দিল্লিতে লড়াই দিদি দেখাবে। আমরা ছিলাম, আমরা আছি, আমরাই থাকব। তৃনমূলকে রোখার ক্ষমতা কারুর নেই। বিজেপির প্রচারের কোন ইস্যু নেই। রেলের ভাড়া বেড়েছে, গ্যাসের দাম বেড়েছে , ২০ কোটি বেকারের চাকরি কোথায় গেল, নিরব মোদী-বিজয় মালিয়া-ললিত মোদীরা টাকা মেরে লন্ডনে বসে আছে। ওদের কেশ্রাগ্র ধরার সাহস নেই বিজেপির। তৃনমূল মানে আন্দোলন। দিদি বাংলার মানুষের জন্য অনেক প্রকল্প চালু করেছেন। মানবিক, সমব্যাথি, সবুজসাথি, স্বাস্থ্যসাথী, খাদ্যসাথী, রূপশ্রী, কন্যাশ্রী, যুবশ্রী, সবই আছে তৃনমূলে। এখানে সাম্প্রদায়িকতার স্থান নেই। আগামি ২০ জুলাই পর্যন্ত অরন্য সপ্তাহ পালিত হবে। গাছ লাগাতে হবে, গাছ না লাগানোয় এত বাজ পড়েছে।’ এদিনের সভায় দক্ষিন ২৪ পরগনা কংগ্রেসের জেলা সভাপতি অর্ণব রায় ক্যানিং ১ ব্লকের ১০ টি পঞ্ছায়েতের ১ হাজার জন কংগ্রেস কর্মী নিয়ে তৃনমূলে যোগ দেন। তার হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন শুভেন্দু অধিকারি ও বিমান ব্যানার্জি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here