kolkata news

 

নিজস্ব প্রতিনিধি: গতকাল রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলিতে ভিড়ে ঠাসা একটি জনসভায় তৃণমূল যুব সভাপতি তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তীব্র নিশানা করেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকে। এর আগে বারে বারে তাকে ‘ভাইপো’ এবং ‘তোলাবাজ’ বলে আক্রমণ করতে দেখা গিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীকে। এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীকে ‘ঘুসখোর’ বলে কটাক্ষ করেন অভিষেক ব্যানার্জি।

অভিষেকের এই কটাক্ষের জবাবে গতকাল কিছু বলেননি শুভেন্দু। বলেছিলেন, সোমবার তমলুকের সভা থেকে তিনি তার যাবতীয় জবাব দেবেন। সেই কথা মতো আজ তমলুকের সভা থেকে এক একটি করে অভিযোগ তুলে অভিষেককে নিশানা করেন শুভেন্দু। বেশকিছু এমন নতুন অভিযোগ তিনি করেছেন, তাতে রাজ্য রাজনীতি নতুন করে সরগরম হতে পারে।

​আগাগোড়াই আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে শুভেন্দু এদিন নিজের বক্তব্য রাখেন। বলেন, ‘থাইল্যান্ডের একটি ব্যাংকে প্রতি মাসে ৩৬ লক্ষ করে কার অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে?’ সেই অ্যাকাউন্টের রসিদ তার কাছে আছে বলে তিনি দাবি করেন। এরপর তিনি বলেন, ‘‘গতকাল তোলাবাজ ভাইপো বলেছেন শুভেন্দু ‘ঘুসখোর’, ‘মধুখোর’।‘’ তার জবাবে শুভেন্দু বলেন, ‘ছোট বয়স থেকে হাত পাকিয়েছেন কীভাবে চিটিংবাজি করা যায়।‘ এরপর তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে আজ এত দুর্নীতির অভিযোগ তোলা হচ্ছে। আমার ভেতর যখন এতই দুর্নীতির অভিযোগ, তখন কেন আমাকে ধরে রাখার জন্য এত জোর করা হয়েছিল? দলে থাকার জন্য কেন আমাকে হাতে পায়ে ধরা হয়েছিল?

​নারোদা কেলেঙ্কারি প্রসঙ্গে এদিন মুখ খোলেন শুভেন্দু। ঘুরিয়ে তিনি সুব্রত মুখোপাধ্যায়, সৌগত রায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার ও ববি হাকিমের বিরুদ্ধেও ইঙ্গিত করেন। একইসঙ্গে তিনি বলেন, কেডি সিং-কে এই কাজে নিয়োগ করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

​অভিষেককে নিশানা করার পাশাপাশি এদিন শুভেন্দু আরও বলেন, ‘আমার বাড়িতে পদ্ম ফুটতে শুরু করেছে। রামনবমীর আগে সব পদ্ম ফুটে যাবে। এরপর পাল্টা চ্যালেঞ্জের ঢঙে তিনি বলেন ১৬ ফেব্রুয়ারির আগে মাননীয়ার বাড়িতেও পদ্ম ফুটবে।‘

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here