news bengali

মহানগর ওয়েবডেস্ক: শুধু ভ্যাকসিন আবিষ্কার করলেই হবে না। প্রথমত তা মানবদেহের ক্ষেত্রে হতে হবে সুরক্ষিত। দ্বিতীয়ত, সবরকম আবহাওয়া এবং ভৌগলিক অবস্থানে তা কার্যকরী হতে হবে। এবং সর্বশেষ তা সাধ্যের মধ্যে হতে হবে আমজনতার। তবেই বলা যাবে, করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কার সফল হয়েছে। বর্তমানে এই তিনটি ভারসাম্যের সন্ধানে পৃথিবীর নানা প্রান্তে করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিস্কারের গবেষণা চলছে। যে কয়টি সংস্থা ভ্যাকসিন তৈরির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে তাদের মধ্যে প্রথম সারিতেই নাম রয়েছে আমেরিকার কোম্পানি মোডেরনার নাম।

সূত্রের খবর, মার্কিন এই সংস্থা ভ্যাকসিন তৈরির রেসে একবারে অগ্রণী ভূমিকা নিচ্ছে। তারা জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই রোগীদের শরীরে ভ্যাকসিন প্রয়োগের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে এবং তাদের গবেষণা এই মুহূর্তে মাঝপথে রয়েছে। অন্যদিকে রাশিয়াও নিজেদের মতো সন্ধান চালাচ্ছে ভ্যাকসিন আবিস্কারের। রাশিয়ান বিজ্ঞানীরা আগামী দু সপ্তাহের মধ্যেই ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করবে বলে জানানো হয়েছে। সবমিলিয়ে গোটা বিশ্বে এই মুহূর্তে প্রায় ১২০টি কোভিড ভ্যাকসিন নিয়ে গবেষণা চালানো হচ্ছে যার মধ্যে ১০টি ভ্যাকসিনের পরীক্ষা মানবদেহে শুরুও হয়ে গিয়েছে। এদের মধ্যে চিনের ক্যানসিনো, অক্সফোর্ড এবং মোডেরনাই সাফল্যের সর্বাধিক প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। তবে চিনের সংস্থা সিনোভ্যাক বায়োটেক জানিয়েছে, তারা ৯৯ শতাংশ নিশ্চিত এই ভাইরাস করোনা বিরুদ্ধে কার্যকরী হবেই।

একদিকে যখন গোটা বিশ্বে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৬০ লাখ পেরিয়ে গিয়েছে তখন ভারতে তা ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। ভারতে সংক্রমণ প্রায় ২ লাখের কাছাকাছি। বিশ্বে মৃত্যুমিছিল বেড়ে বেড়ে পৌঁছে গিয়েছে প্রায় ৩ লাখ ৭০ হাজারে। সেখানে ভারতে তা ৬ হাজারের কাছাকাছি। ফলে একটা বিষয় দিনের আলোর মতো স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে, যতদিন না এই ভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কার হচ্ছে ততদিন পূর্ববর্তি জীবন ফিরে পাওয়া অসম্ভব।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here