মহানগর ওয়েবডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনে হারার পর সভাপতি পদে থাকতে চাননি রাহুল গান্ধী। সেইমতো পদ থেকে ইস্তফাও দেন তিনি। তবে দলীয় কর্মীদের প্রথম থেকেই ‘চাপ’ ছিল যে, রাহুলই সভাপতি হন। কিন্তু শেষমেষ কংগ্রস সাংসদ তাঁর সিদ্ধান্তেই অনড় ছিলেন। এবার ভাবা হয়েছিল যে, ‘গান্ধী’ থেকে বেরিয়ে এসে কংগ্রেস কিছু একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। কিন্তু তার কোনও লক্ষ্যণই নেই। পুনরায় কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচিত হলেন সেই সনিয়া গান্ধী। দলের অন্তর্বর্তী সভানেত্রী হলেন তিনি।

কংগ্রেস সভাপতি কে হবেন তা নিয়ে দীর্ঘ টালবাহানা চলেছে। অবশেষে জানা গিয়েছিল যে, গতকাল এই নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে দল। দলের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারক কমিটি সিডব্লুসি রাজ্যস্তরের নেতাদের বৈঠকে পর্যন্ত হাজির থাকেননি সনিয়া ও রাহুল গান্ধী। এই বিষয়েই একটি ধারণা তৈরি হয় যে এবারে হয়তো কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচনে চমক থাকবে। কিন্তু তার কোনও নিদর্শনই নেই। এখনই পর্যন্ত স্থায়ী কাউকে সভাপতি পদে বসাতে না পারায় শনিবার রাতে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, স্থায়ী সভাপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত কংগ্রেসকে নেতৃত্ব দেবেন সেই সনিয়াই।

সূত্রের খবর, গতকালের বৈঠকে পরবর্তী কংগ্রেস সভাপতি হিসেবে আরও কয়েকজনের সঙ্গে মল্লিকার্জুন খাড়গে ও মুকুল ওয়াসনিকের নাম নিয়েও আলোচনা হয়। কিন্তু কোনও নাম নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারছিলেন না ওয়ার্কিং কমিটির সদস্যরা। সেই প্রেক্ষিতেই সনিয়া গান্ধীকে এই পদ সামলাতে অনুরোধ জানানো হয়। প্রাথমিকভাবে রাজি না হলেও পরে এই সিদ্ধান্তে সম্মতি জানান সনিয়া।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here