মহানগর ডেস্ক:  চার রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে কংগ্রেস মোটেই ভালো ফল করতে পারেনি। কংগ্রেসের এই খারাপ ফলাফলের কারণ স্পষ্টভাবে ওয়ার্কিং কমিটির সদস্যদের কাছ থেকে জানতে চাইলেন সোনিয়া গান্ধি। তিনি কেরল, পুদুচেরি, তামিলনাড়ু, বাংলা ও অসমের বিধানসভা নির্বাচনের এই ফলাফল কেন হল, সেই নিয়ে জানতে চান। সোনিয়া গান্ধি মনে করছেন, মানুষের কথা বুঝতে পারেনি কংগ্রেস। তবে হারের কারণ খতিয়ে দেখে পর্যালোচনা করা দরকার বলে তিনি মনে করেছেন।

অন্য দিকে, কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতির নির্বাচনের বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে। কংগ্রেসের অভ্যন্তরে বার বার রাহুল গান্ধির গ্রহণ যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের হারের পর থেকে ক্রমেই কংগ্রেসের ক্ষমতা কমতে শুরু করেছে। তার মধ্যে পাঁচটি রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলগুলোতে কংগ্রেসের এমন অবস্থা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

পুদুচেরিতে বিধানসভা নির্বাচনের কিছু দিন আগে কংগ্রেস সরকার পড়ে যায়। একের পর এক বিধায়ক পদত্যাগ করেন কিংবা অন্যদলে নাম লেখান। সেই সময় বিজেপির বিরুদ্ধে বিধায়ক কেনার অভিযোগ ওঠে। কিন্তু পুদুচেরির বিধানসভায় কংগ্রেস জনসমর্থন পেতে ব্যর্থ হয়। বিজেপির জোট সরকার গঠন করে। তবে তামিলনাড়ুতে সরকার গঠন করে কংগ্রেস ও ডিএমকে জোট।

কিন্তু কেরলে ক্ষমতায় ফিরতে পারেনি কংগ্রেস। কেরলের রেওয়াজ অনুযায়ী একবার কংগ্রেস ও একবার বাম ক্ষমতায় আসে। কিন্তু কেরলে এবার কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার বদলে রেকর্ড করে বাম পুনরায় ক্ষমতায় এসেছে। অন্য দিকে, বাংলায় একটিও আসন জিততে পারেনি কংগ্রেস।

অসমের বিধানসভাতে মোটেও ভালো ফল করেনি। ভোট ফেরত সমীক্ষাতে অনেক সংস্থাই দাবি করেছিল, কংগ্রেস এবার ক্ষমতায় আসতে পারবে না। তবে কংগ্রেসের যে কটা আসনে জেতার আশা করা হয়েছিল, সেই আসনগুলোতেও জিততে পারেনি। ৯৫টি আসনের মধ্যে মাত্র ২৫টি আসনে কংগ্রেস জিততে পেরেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here