ডেস্ক: তার দিকে তাকিয়ে ছিল গোটা দেশ। তাকিয়ে ছিল তার দলের নেতা-কর্মীরাও। দলকে পথ দেখাতে তিনি কি উপায় বাতলে দেন সেটা শোনার জন্যই অপেক্ষায় ছিল মিডিয়াকুল। বার্তা তিনি দিলেন, দেশের প্রধানমন্ত্রীকে তু্লোধনা করেই। আর সেটাই হয়ে উঠল আগামী দিনে জাতীয় কংগ্রেসের পথনির্দেশ। মোদী বিরোধীতাই হবে আগামী দিনে দলের পাখির চোখ। সে পথেই আসবে সাফল্য। তিনি সোনিয়া গান্ধী।

নতুন দিল্লীতে আয়োজিত কংগ্রেসের প্লেনারি সম্মেলনে সোনিয়া গান্ধী শুধু দলকে বার্তাই দিলেন না, দেশের রাজনীতিকে রাস্তা দেখিয়ে দিলেন, কোন পথে আসবে সাফল্য। বাছা বাছা বিশেষণে এদিন মোদীকে বিঁধলেন সোনিয়া। ‘যখন এসেছিলেন তখন বলেছিলেন না নিজে খাব না খেত দেব, কিন্তু পুরাটাই নাটক। ওরা চেয়েছিল দেশ থেকে কংগ্রেসকে মুছে দিতে। কিন্তু এটা ভেবেই দেখেনি যে এখনো দেশের কত মানুষের মনে কংগ্রেস গেঁথে আছে। গোটা দেশ জুড়েই তানাশাহি কায়েম করে রেখেছে ওরা। নিজেরা বেশ সুখে আছে কিন্তু গোটা দেশের মানুষকে দুঃখে ঠেলে দিয়েছে। যারা দেশ থেকে কংগ্রেসের অস্তিত্ব মেটাতে চেয়েছেন, তাঁরা জানেন না এখনও মানুষের হৃদয়ে রয়েছে কংগ্রেস। গোটা দেশজুড়ে ক্ষোভের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সরকার স্বেচ্ছাচারিতা করছে। উন্নয়নের নামে নাটক করছে। বিভাজনের রাজনীতি করছে মোদী সরকার। কে কি খাবে, কি পরবে, সেটাও ঠিক করে দিচ্ছে মোদী সরকার। কংগ্রেস কারও কাছে মাথা নোয়ায় না, নোয়াবায়েও না। কংগ্রেসকে শেষ করার স্বপ্ন ব্যর্থ হয়েছে। কর্নাটকে কংগ্রেসই জিতবে। কংগ্রেসের নেতৃত্বেই দেশে আসবে পরিবর্তন।’

সোনিয়ার এই অভিভাষনই কার্যত আগামী দিনে মোদী বিরোধীতায় গোটা দেশকে পথ দেখিয়ে দিল। বোঝা গেল আগামী লোকসভা নির্বাচনের আগে মোদি বিরোধীতাই হবে কংগ্রেসের রণনীতি। তীব্র বিরোধীতার অস্ত্রে ভর করেই মোদী শাসনের অবসান ঘটানোর ডাক দিলেন সোনিয়া।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here