news sports

মহানগর ওয়েবডেস্ক: ছোটবেলার বন্ধু সঞ্জয় দাসের ফোন পেয়েই সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় জানতে পারেন তাঁদের কোচ অশোক মুস্তাফি অসুস্থ। জীবনের প্রথম ক্রিকেট গুরুর চিকিৎসার যাবতীয় দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিলেন বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। নিজে হাসপাতালে ফোন করে খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি জানিয়ে দেন যে, যে কোনও প্রয়োজনে তিনি পাশে আছেন।

দুখীরাম ক্রিকেট কোচিং সেন্টারে অশোক মুস্তাফির তত্বাবধানে ক্রিকেটে হাতেখড়ি হয় সৌরভের। বাবা চণ্ডী গঙ্গোপাধ্যায়ের হাত ধরে এই কোচিং সেন্টারে আসেন সৌরভ। সাতের দশকে এরিয়ান ক্লাবের গ্যালারির নিচে তৈরি হওয়া দুখীরাম ক্রিকেট কোচিং সেন্টার থেকেই ভারতের সর্বকালের অন্যতম সেরা অধিনায়কের ক্রিকেটের অ-আ-ক-খ শেখা।

বাংলার ক্রিকেটের আঁতুড়ঘর বলা হত এই কোচিং সেন্টারকে। অশোকবাবুর হাত থেকে বেরিয়ে এসেছে প্রবাল দত্ত থেকে শুরু করে অরিন্দম সরকারের মতো জনা কুড়ি রঞ্জি ক্রিকেটার। ছাত্ররা তাঁকে ভালবেসে বাংলা ক্রিকেটের আচরেকর বলে ডাকেন। ক্রিকেটার তুলে আনায় তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। ১৯৯২ সালে দুখীরাম থেকে হাওড়া ইউনিয়নে ক্রিকেেট কোচিং সেন্টারে যোগ দেন সৌরভদের কোচ। এরপর ২০০০ সালে ময়দানের কোচিং থেকে অব্যাহতি নেন। কয়েকদিনের জন্য সল্টলেকের একটি ক্রিকেট কোচিং সেন্টারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি।

৮৬ বছরের অশোকবাবু বেশ কয়েকদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। গত রবিবার তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন। সঞ্জয় দাসের মতো কয়েকজন প্রাক্তন ছাত্ররা মিলে অশোকবাবুকে বাইপাসের ধারে এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে দেন। তিনি এখন ভেন্টিলেশনে রয়েছেন। বিধাননগরের বাড়িতে অশোকবাবু একাই থাকেন। একমাত্র মেয়ে এই মুহূর্তে ইংল্যান্ডে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here