South African cricketers arrived in Kolkata amid Coronavirus fears
কলকাতায় শুধু রাতটা কাটিয়েই দুবাইয়ের বিমান ধরবে দক্ষিণ আফ্রিকা

মহানগর ওয়েবডেস্ক: করোনার জেরে দিল্লি নয়, কলকাতা হয়েই দেশে ফেরার রাস্তা বেছে নিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা দল৷ সোমবার সকালে শহের পৌঁছে গেল কুইন্ট ডি কক ও ফাফ দু’প্লেসিরা৷ আলিপুরের তাজ বেঙ্গল নয়, রাজারহাটের দ্য ওয়েস্টিন হোটেলে তাঁদের রাত কাটানোর বন্দোবস্ত করেছে বিসিসিআই৷

মঙ্গলবার সকালেই দুবাইয়ের বিমান ধরবে টিম, সেখান থেকে সোজা দক্ষিণ আফ্রিকা৷ এদিন হোটেলে ঢোকার আগে থার্মাল স্ক্রিনিং হয়ে ডি’ককদের৷ এছাড়াও ডাক্তারি পরীক্ষা হয়েছে তাঁদের৷ টিমের সঙ্গে রয়েছে তিন জন বিশেষজ্ঞ চিকিত্সক৷ হোটেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, করোনার সংক্রমণের ভয় সবরকম সাবধানতাই অবলম্বন করছে তারা৷

করোনা আতঙ্কে বাতিল হয়ে গিয়েছে ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। প্রথম ওয়ানডে এমনিতেই ধরমশালায় বৃষ্টির জন্য বাতিল হয়ে যায়। এরপর মারণ ভাইরাসের দাপটে লখনউ ও কলকাতায় বাকি দু’টি ওয়ানডে বাতিল হয়ে যায়৷ দক্ষিণ আফ্রিকা যখন দ্বিতীয় ওয়ানডে খেলতে লখনউতে ছিল, ঠিক তখনই সিদ্ধান্ত হয় যে, এই সিরিজ আর হচ্ছে না৷

লখনউ থেকে দিল্লি বিমানবন্দরই সবচেয়ে কাছে। সেই হিসেবে রাজধানী হয়েই দেশে ফেরার কথা প্রোটিয়া শিবিরের। কিন্তু করোনার দাপট দেশের রাজধানীতে ব্যপকভাবে পড়েছে। সেখানে একজন বৃদ্ধার মৃত্যুও হয়েছে। আর এতেই বেশ আতঙ্কিত হয়ে প়ড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা৷ করোনা থেকে বাঁচতে দিল্লির আশেপাশেও ঘেঁষতে চাননি ডু’প্লেসিরা। বরং কলকাতা বিমানবন্দর হয়ে ফিরতে বেশি আগ্রহী হয় দল৷

কলকাতা বিমানবন্দরকে বেছে নেওয়ার অন্য কারণ রয়েছে৷ দেশের একাধিক রাজ্যে করোনার দাপট দেখালেও, পশ্চিমবঙ্গে এখনও পর্যন্ত করোনায় কারও আক্রান্ত হওয়ার খবর মেলেনি। এখনও পর্যন্ত এই মারণ ভাইরাসের প্রভাব এই রাজ্যে পড়েনি। আর এই খবর রয়েছে প্রোটিয়া বাহিনীর৷ ফলে দিল্লির বদলে কলকাতা হয়েই দেশে ফেরার রাস্তা নিরাপদ বলে মনে করে তারা৷

দক্ষিণ আফ্রিকা দল শহরে এসে আলিপুরের তাজ বেঙ্গলে থাকতেই আগ্রহী ছিল। আর এতেই সিঁদুরে মেঘ দেখে রাজ্য সরকার। কোনও ভাবেই শহরের প্রাণকেন্দ্রে ফাফ-ডি’ককদের থাকার অনুমোদন দেয়নি রাজ্য সরকার। বাংলার সুরক্ষার সঙ্গে কোনও ভাবেই আপস করতে রাজি নন মমতা। যদিও দক্ষিণ আফ্রিকা দলের কারোর মধ্যেই এখনও করোনার কোনও উপসর্গ দেখা যায়নি. তাহলেও কোনও ঝুঁকি নিতে চায়নি মমতা সরকার। সেই কারণে দক্ষিণ আফ্রিকা দলকে বিমানবন্দর ব্যবহার করতে দিলেও তাজ বেঙ্গলে থাকার অনুমোদন দেওয়া হয়নি। বরং বিমানবন্দরের কাছাকাছি ওয়েস্টইনে তাদের রাত কাটানোর ব্যবস্থা করে দেওয়া হলো৷

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here