news bengali

মহানগর ওয়েবডেস্ক: রাম মন্দিরের পর এবার অযোধ্যাতে মসজিদের শিলান্যাস হবে। যাবেন তো? সংবাদমাধ্যমের তরফে ঠিক এই প্রশ্ন করা হয়েছিল উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে। যদিও তার জবাবে সরাসরি তিনি জানিয়ে দেন, মসজিদের শিলান্যাসে তিনি যাবেন না এবং যদি আমন্ত্রণপত্র আসে তবে ধর্মনিরপেক্ষতা সংকটের মুখে পড়বে। একজন মুখ্যমন্ত্রী হয়ে এই ধরনের মন্তব্য মোটেও ভাল চোখে নেয়নি বিরোধীরা। যার জেরে যোগীকে ক্ষমা চাইতে হবে এই দাবিতে সরব হয়ে উঠল বিরোধী শিবির।

এদিন যোগীর ওই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছে সমাজবাদী পার্টি ও কংগ্রেসের একাধিক নেতৃত্ব। এদিন সমাজবাদী পার্টির মুখপত্র পবন পান্ডে বলেন, ‘যোগী আদিত্যনাথ গোটা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুধু হিন্দুদের নয়। তাই তার মুখ থেকে এই ধরনের মন্তব্য কখনোই আশা করা যায় না ওনার ক্ষমা চাওয়া উচিত।’ এ প্রসঙ্গে উত্তর প্রদেশ কংগ্রেসের মিডিয়া সেলের প্রধান লালন কুমারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘মসজিদ নিয়ে উনি যে মন্তব্য করেছেন সে নিয়ে আমি কোনও কথা বলতে চাই না। বিজেপি সর্বদা রাজনীতির স্বার্থে মিথ্যে হিন্দুত্বের খেলা করে এসেছে। ভগবান রাম প্রত্যেকের কিন্তু বিজেপি দেখানোর চেষ্টা করে রাম তাদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি।’

প্রসঙ্গত, রাম মন্দিরের ভূমি পুজোর পর ধর্মনিরপেক্ষ ভারতে রাম মন্দিরের মত করে যোগী আদিত্যনাথ কি অযোধ্যায় মসজিদের শিলান্যাসে উপস্থিত থাকবেন? সংবাদমাধ্যমে তরফে এহেন প্রশ্নের উত্তরে আদিত্যনাথ জানালেন, ‘একজন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে যদি এর উত্তর দিতে হয় তবে আমি বলব কোন ধর্ম কোনও সম্প্রদায় বা কোনও উৎসব নিয়ে আমার কোনও আপত্তি নেই। তবে ব্যক্তি আমাকে যদি এই প্রশ্ন করা হয় তবে আমি বলব, ‘কখনই যাব না’। আমার নিজস্ব ধর্ম পালন করার পূর্ণ অধিকার রয়েছে। অন্য কারও কাজে যাওয়ার কোনও অধিকার নেই আমার। রোজা কিংবা ইফতারে গিয়ে টুপি পরে কিছুক্ষণের জন্য ওই ধর্মের আচার পালন করাটা কোনওভাবেই ধর্মনিরপেক্ষতা নয়। জনগণ জানে মসজিদের পাশে না আমাকে আমন্ত্রণ করা হবে, আর না আমি যাব। তবে যেদিন আমাকে আমন্ত্রণ জানানো হবে সেদিন ধর্মনিরপেক্ষতা বিপদের মুখোমুখি হবে।’ বলার অপেক্ষা রাখে না তার এই মন্তব্য ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here