kolkata news

 

নিজস্ব প্রতিনিধি: দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে এবার নিয়ে মাত্র দু’বার ভোটের ময়দানে নামেন মুকুল রায়। প্রায় দুই দশক আগে প্রথমবার লড়াইয়ে জিততে পারেননি তিনি। এবার তৃণমূলের সুনামির মধ্যেও জিততে পেরেছেন বিজেপি প্রার্থী মুকুল রায়। কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রে তিনি হারিয়েছেন তৃণমূলের নবাগত তারকা প্রার্থী কৌশানী মুখোপাধ্যায়কে। দলের নেতারা যা ভেবেছিলেন, সেই ভাবনা অনুযায়ী ফল করতে পারেনি বিজেপি। মাত্র ৭৭টি আসন নিয়ে তাদের সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে। বিজেপির অনুকূলে এমন ফল হওয়ায় স্বভাবতই শীর্ষ নেতারা অনেকেই আড়ালে চলে যান। ফল প্রকাশের পর থেকে সেই অর্থে মুকুল রায়কে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি বা তাঁকে কিছু বলতে শোনা যায়নি।

​আজ বিধায়ক হিসেবে শপথ নিতে বিধানসভায় আসেন মুকুল রায়। প্রথমদিন বিধানসভায় এসে জল্পনা উস্কে দিলেন তিনি। শপথ নেওয়ার পর তিনি বিজেপির পরিষদীয় দলের ঘরে না গিয়ে সোজা চলে যান তৃণমূল পরিষদীয় দলের ঘরে। সেখানে দেখা করেন বেশ কয়েকজন তৃণমূল নেতার সঙ্গে। কথা বলেন সুব্রত বক্সীর মতো নেতার সঙ্গে। কিন্তু, বিশেষ কী কথা হয়েছে, তা নিয়ে কোনও পক্ষই মুখ খোলেনি। তৃণমূলের পরিষদীয় দলের ঘর থেকে বেরিয়ে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অত্যন্ত ইঙ্গিতবাহী ভাবে মুকুল রায় বলেন, ‘মানুষের জীবনে দুই-একটা দিন আসে যখন মানুষকে চুপ থাকতে হয়’। এই কথা বলে মুকুল রায় কী বলতে চাইলেন, তা ঠিক বোঝা না গেলেও কথাটি যে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ এবং অচিরেই এই কথার অর্থ বোঝা যাবে- তা আন্দাজ করা যায়।

​বিজেপি’র অন্দরে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা নিয়ে চর্চা চলছে। কে হতে পারেন বিরোধী দলনেতা তা এখনও ঠিক করতে পারেনি বিজেপি। তবে দলের অন্দরেই যে আলোচনা হচ্ছে, তাতে শোনা যাচ্ছে মুকুল রায় বা শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে থেকে কেউ একজন বিরোধী দলনেতা হতে পারেন। কোনও কোনও মহল থেকে বলা হচ্ছে, এক্ষেত্রে শুভেন্দু রায় অনেকটাই এগিয়ে আছেন। কারণ পরিষদীয় রাজনীতিতে তিনি অনেক অভিজ্ঞ। তা ছাড়া নন্দীগ্রামের মতো আসনে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়েছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here