ডেস্ক: কয়েকদিন আগেই দক্ষিণী সিনেমার ইন্ডাস্ট্রিতে কাস্টিং কাউচ নিয়ে মুখ খুলেছিলেন অভিনেত্রী শ্রীরেড্ডি। দক্ষিণী সিনেমায় প্রযোজক ও পরিচালকের জন্য নাকি বদনাম হচ্ছে। উঠতি অভিনেত্রীদের সিনেমায় কাজ পাইয়ে দেওয়া নিয়ে নানা খারাপ কাজ করছে তাঁরা। কাস্টিং কাউচের প্রতিবাদে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির বাইরে অর্ধনগ্ন হয়ে প্রতিবাদ করেন তিনি। যার জন্য তাঁকে ব্যান্ড করে দেওয়া হয়েছে তামিল ইন্ডাস্ট্রিতে। পাশাপাশি তাঁকে নাকি সবাই ‘যৌনকর্মী’ বলে সম্বোধন করা শুরু করে দিয়েছে ইতিমধ্যেই। তিনি এদিন প্রকাশ্যে জানিয়েছেন যে তাঁকে নাকি বারেবারে হেনস্থা করা হয়েছে এবং পাশাপাশি নানা ভাবে অপমান করা হচ্ছে তাঁকে। এই ঘটনার জেরে নাকি শ্রী পরিবার বিধ্বস্ত হয়ে গিয়েছেন।

এই কথা তিনি মিডিয়ার সামনে এসে নিজেই জানিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন যে তাঁকে যথাযথ বিচার না দেওয়া হলে তিনি নিজেকে শেষ করে দেবেন। দক্ষিণী সিনেমাতে এই অবস্থা আগেও হয়েছে কিন্তু কেউ মুখ না খোলায় সবাই চুপ থাকে। কিন্তু শ্রীরেড্ডি মুখ খোলায় সবাই এখন তাঁর বিরুদ্ধে। তাঁর কথায় ”দক্ষিণী সিনেমায় অনেক মেয়ে আমার মত অবস্থায় আছে কিন্তু ভয়ে মুখ খুলছে না।” তিনি এও বলেন যে ”তিনি একজন নিঃসঙ্গ মহিলা।” তাঁর প্রতিবাদের আঙুল সবসময় ছিল তামিলের বেশ কিছু প্রথম সারির নায়কদের বিরুদ্ধে। সেই তালিকায় নাম ছিল রানা ডাজ্ঞুবাতির ভাই অভিরাম, গায়ক শ্রীরাম, তেলেগু অভিনেতা ন্যানি। এদের সবার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করেন শ্রী। তাঁর হুমকির তালিকে থেকে বাদ যাননি দক্ষিণী সুপারস্টার পবন কল্যাণ। কিন্তু এরা সকলেই কার্যত শ্রীরেড্ডির হুমকি ও আরোপ উড়িয়ে দিয়ে তাঁর মানহানির মামলা করেছেন। এইজন্যই এখন বেজায় চাপে আছেন শ্রীরেড্ডি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here