burqa

ডেস্ক: পরপর বিস্ফোরণের ঘটনায় এখনও স্ত্রস্ত শ্রীলঙ্কা। আইএস এই হামলার দায়ে স্বীকার করার পর থেকে আতঙ্ক যেন আরও বেশি পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। গোটা বিশ্বই সন্ত্রাসবাদকে কোনও ধর্মের সঙ্গে জড়াতে প্রস্তুত নয়। কিন্তু কোথাও যেন নির্দিষ্ট একটি ধর্মের মানুষরাই এর সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। সন্ত্রাসবাদকে ধর্মের সঙ্গে যুক্ত না করেও শ্রীলঙ্কা সরকার এমন এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিল যা নিয়ে বিশ্বে চর্চা। বোরখা নিষিদ্ধ করল শ্রীলঙ্কা সরকার।

জানা গেছে, মুসলিম সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পরেই বোরখা নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ইস্টারে হামলার পর কলম্বোয় বিভিন্ন জায়গায় লুকিয়ে ছিল সন্ত্রাসবাদীরা। পরবর্তী সময়ে পালানোর জন্য তারা বোরখা ব্যবহার করে। এর জন্যই তাদের ধরা সমস্যার হয়েছে। জঙ্গিদের আর এই ধরনের কোনও সুযোগই দিতে চায় না শ্রীলঙ্কা সরকার। তাই ইস্টার হামলার পরবর্তী সময়ে তড়িঘড়িই এই সিদ্ধান্ত নিল তারা। উল্লেখ্য, শ্রীলঙ্কার সংসদে বোরখার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করার দাবি জানিয়ে প্রস্তাব পেশ করেছেন শাসকদল ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টি।

এখনও পর্যন্ত শ্রীলঙ্কায় ধারাবাহিক বিস্ফোরণকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫৯। আহত ৫০০ জন। প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পর অর্থাৎ মঙ্গলবার এই হামলার দায় স্বীকার করে নেয় আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আইসিস। পুলিশ ইতিমধ্যেই ১৮ জনকে গ্রেফতার করেছে বলে খবর। এখনও অবধি এই ঘটনায় ৬০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, রবিবার ছুটির দিনে ধারাবাহিক বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে শ্রীলঙ্কা। প্রথমে তিনটি গির্জা, তারপর ৩টি হোটেলে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। এরপর দুপুরের পরেই আরও দুই জায়গায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। রবিবার সকাল ৯টা নাগাদ প্রথম বিস্ফোরণটি ঘটে শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বো থেকে কিছুটা থাকা দূরে নেগাম্বা শহরের একটি গির্জায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here