অস্তমিত অরুণ, শোকের আবহে দু’দিন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাতিল রাজ্য বিজেপির

0
72
kolkata bengali news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: রাজনীতির ময়দান থেকে ছুটি নিয়েছিলেন বেশ কিছুদিন আগে, এবার চিরনিদ্রায় চলে গেলেন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। রাজধানীর এইমস হাসপাতালে আজ দুপুর ১২.০৭ মিনিটে জীবনাবসান ঘটে তাঁর। বর্ষীয়ান বিজেপি নেতার মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ গোটা দেশ। দলমত নির্বিশেষে জেটলির প্রয়াণে শোকজ্ঞাপন করেছেন দেশের প্রায় প্রত্যেক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।

পাশাপাশি এদিন রাজ্যে বিজেপির তরফে জানিয়ে দেওয়া হয় আগামী দু’দিন, অর্থাৎ আজ ও আগামীকাল কোনও ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তারা অংশগ্রহণ করবে না। দলের তরফে একটি নির্দেশিকা প্রকাশ করে জানানো হয়, প্রাক্তন অর্থমন্ত্রীর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ রাজ্য বিজেপি। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করি আমরা। এই মর্মে শনিবার ও রবিবার বাইরের সমস্ত রকম কর্মসূচি বাতিল করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন অরুণ জেটলি। ২০১৮ সালে কিডনি প্রতিস্থাপনের পর থেকেই নানা ব্যাধিতে ভুগতে থাকেন তিনি। যে কারণে ফেব্রুয়ারি মাসে অন্তর্বর্তী বাজেটের সময় সংসদে উপস্থিত থাকতে পারেননি জেটলি। শারীরিক অসুস্থতার জেরে মে মাসেও এক বার এইমসে ভর্তি হন জেটলি। সেই থেকে সক্রিয় রাজনীতিতে সে ভাবে আর দেখা যায়নি তাঁকে। এমনকী এ বছর লোকসভা নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদী দ্বিতীয় বার ক্ষমতায় ফিরলেও, মন্ত্রিত্ব নিতে রাজি হননি জেটলি। সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে গেলেও, সোশ্যাল মিডিয়ায় বরাবরই সক্রিয় অরুণ জেটলি। মোদী সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের পক্ষে নিয়মিত সওয়ালও করেন তিনি।

ছাত্র জীবনেই রাজনীতিতে হাতেখোড়ি হয় জেটলির। সত্তরের দশকে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজেপির ছাত্র সংগঠন এবিভিপির প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন তিনি। জাতীয় জরুরি অবস্থার বিরুদ্ধে পথে নেমে ২ দফায় জেলে যেতে হয়েছিল অরুণ জেটলিকে। এক সময় এবিভিপির দিল্লি শাখার সভাপতি এবং পরে সংগঠনের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হন। সেই সূত্র ধরে পরে যুব মোর্চা এবং পরে সক্রিয় রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়া। ১৯৯১ সাল থেকে বিজেপির জাতীয় কার্যনির্বাহীর সদস্য জেটলি। এবার তাঁর প্রয়াণে শোকাহত গোটা দেশের রাজনৈতিক মহল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here