ডেস্ক:রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনের মনোনয়নকে কেন্দ্র করে লাগামহীন সন্ত্রাসের প্রতিবাদে শুক্রবার বামফ্রন্ট ৬ ঘন্টার বাংলা বনধ ডেকেছে৷ সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এই বনধের ডাক দিয়েছে বাম দলগুলি৷ কিন্তু অন্যান্য সময়ের মতো এবার এই ধর্মঘটকে রুখে দিতে উঠে পড়ে লেগেছে তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত রাজ্য সরকার৷ তাই শুক্রবার বামেদের ডাকা বনধের দিন সরকারি কর্মীদের হাজিরা নিশ্চিত করতে নতুন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে নবান্ন থেকে। বলা হয়েছে, ধর্মঘটে অফিসে না এলে কাটা যাবে ছুটি ও বেতন। বিশেষ কারণ ছাড়া ছুটি নিলে জবাবদিহি করতে হবে। সব পরিবহণ সচল রাখবে সরকার। অতিরিক্ত সরকারী বাস রাস্তায় নামাবে সরকার৷

২০১১ সালে রাজ্যে রাজনৈতিক পালা বদলের পর থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে কোনও ধরণের বনধের বিরোধিতা কর আসছেন৷ তার জন্য যা ব্যবস্থা নেওয়ার নিয়েছে রাজ্য প্রশাসন৷ মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, কর্মসংস্কৃতি ফিরিয়ে আনতেই রাজ্য থেকে ‘বনধ’ শব্দটি তিনি নিশ্চিহ্ন করে দেবেন৷ তাঁর শাসনকালে ‘বনধ’ অবশ্য অনেকটাই নিষ্ক্রিয়৷ সুতরাং, বনধ রুখে দেওয়ার কাজে মুখ্যমন্ত্রী দারুণ সফল৷ তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর থেকে বাম দলগুলি বেশ কয়েকবার বনধ করেছে৷ অনেক সময় তা রাজ্য সরকাররে বিরুদ্ধে, আবার অনেক সময় তা কেন্দ্রের বিরুদ্ধে৷ বিজেপিও বেশ কয়েকবার বনধের রাস্তায় হেঁটেছে৷ কিন্তু রাজ্য প্রশাসন দক্ষতায় সঙ্গে বনধের মোকাবিলা করেছে৷ এবং বনধের দিনগুলিতে মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে রাস্তায় নেমেছে৷ এবারও সেই ধারা বজয়া রাখতে চাইছে রাজ্য সরকার৷ এবং তার জন্য যা করণীয় তা করবে নবান্ন৷

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here