ডেস্ক: কথা ছিল ৪ মে ডিভিশন বেঞ্চের কাছে পঞ্চায়েতের নিরাপত্তা সংক্রান্ত রিপোর্ট পেশ করবে রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার সেই পরিপ্রেক্ষিতে নবান্নে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসেন রাজ্য প্রশাসনের আমলারা৷ যেখানে হাজির ছিলেন ডিজি সুরজিৎ করপুরকায়স্থ, এডিজি আইন-শৃঙ্খলা অনুজ শর্মা, স্বরাষ্ট্র সচিব অত্রি ভট্টাচার্য এবং পঞ্চায়েত দফতরের আধিকারিকরা। তবে শুক্রবার আদালতের কাছে যে রিপোর্ট রাজ্য সরকার পেশ করল সেখানে দেখা গেল না কেন্দ্রীয় বাহিনী বা ভিন রাজ্যের পুলিশের উল্লেখ। শুধুমাত্র রাজ্যের হাতে থাকা বাহিনীর উপর ভিত্তি করেই আদালতে পেশ করা হল রিপোর্ট।

রাজ্য সরকারের পেশ করা নথিতে বলা হয়েছে স্পর্শকাতর কেন্দ্রগুলির উপর ভিত্তি করেই ভোটকেন্দ্রগুলিতে নিরাপত্তারক্ষী দেওয়া হবে। সেক্ষেত্রের স্পর্শকাতর ভোটকেন্দ্রের গুরুত্ব বুঝে এক থেকে একাধিক নিরাপত্তাকর্মী দেওয়া হতে পারে। তবে কেন্দ্র ভিত্তিক উল্লেখ থাকলেও বুথ ভিত্তিক কোনও উল্লেখ নেই এই রিপোর্টে। ঠিক এখানে প্রশ্ন উঠছে, একটি কেন্দ্রের মধ্যে রয়েছে এক বা একাধিক বুথ। কেন্দ্র ভিত্তিক স্পর্শকাতরতার বিচারে যদি কোনও কেন্দ্রে একজন নিরাপত্তারক্ষী থাকে, সেখানে বুথের হিসাবে কোনও কোনও বুথ হতে পারে নিরাপত্তারক্ষী শূন্য। সেক্ষেত্রে সেই রকম কোনও বুথে অশান্তি হলে তা সামাল দেবে কে?

উল্লেখ্য, আইনে ফাঁসে আটকে ক্রমশ পিছিয়েই চলেছে পঞ্চায়েত ভোট প্রক্রিয়া। আজ পঞ্চায়েতের ভাগ্য হাইকোর্টের এজলাসে নির্ধারিত হওয়ার কথা থাকলেও শুনানি স্থগিত করে দেন প্রধান বিচারপতি জ্যোতিরময় ভট্টাচার্য। পরবর্তী শুনানির তারিখ আগামী মঙ্গলবার নির্ধারিত করা হয়েছে। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে আজ নিরাপত্তা সংক্রান্ত রিপোর্ট জমা দেওয়া হয় রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে। কিন্তু কংগ্রেসের দায়ের করা আরেকটি মামলার আজ রায়দান থাকার কারণে শুনানি স্থগিত করে দেন প্রধান বিচারপতি জ্যোতিরময় ভট্টাচার্য। বিচারপতি বিশ্বনাথ সমাদ্দার ও অরিন্দম মুখোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে এই কংগ্রেসের মামলার শুনানির পরই তিনি শুনানি করবেন বলে জানান প্রধান বিচারপতি। একই সঙ্গে জানা গিয়েছে কমিশনের ২১ তারিখের বিজ্ঞপ্তি বজায় থাকবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here