নিজস্ব প্রতিবেদক, মালদা: স্কুলের মধ্যেই এক ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠল বিদ্যালয়েরই এক ছাত্রর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে মালদা জেলার মানিকচক থানার নূরপুর অঞ্চলে নূরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে। জানা গিয়েছে, বছর ১৫’র ওই ছাত্রী নূরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীতে পড়ে। ঘটনায় অভিযুক্ত ছাত্রর নাম মোহাম্মদ শামিম(১৯)। সে ওই বিদ্যালয়ের একাদশ শ্রেণীর পড়ুয়া, বাড়ি নূরপুর এলাকার মন্ডলপাড়ায়। ঘটনা প্রসঙ্গে নির্যাতিতা ছাত্রী জানায়,’বৃস্পতিবার দুপুরে বিদ্যালয়ের টিফিন চলছিল। সেইসময় এক বান্ধবীর সঙ্গে টিফিন খেতে বিদ্যালয়ের দোতলায় যাই। খাওয়ার পর আমার বান্ধবী হাত ধুতে নীচে নেমে যায়। সেই সময় একা পেয়ে শামিম আমার মুখ চেপে ধরে। আমায় মেঝেতে ফেলে ধর্ষণের চেষ্টা চালায় শামিম। কোনো রকমে ওকে ধাক্কা দিয়ে নীচে ক্লাসে গিয়ে অজ্ঞান হয়ে যাই আমি।

‘নির্যাতিতার মা জানান,’মেয়ে ক্লাসে অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার পর বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা নূরপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ওকে ভর্তি করেন। তারপর খবর পেয়ে মেয়েকে সেখান থেকে নিয়ে এসে চিকিৎসা করাই। আজ গ্রামবাসীদের সঙ্গে নিয়ে মানিকচক থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। এখন অভিযুক্তের শাস্তি চাই।’

এদিকে স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য শেখ হেলালউদ্দিন ঘটনার জন্য বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সামসুল হোদার বদলীর দাবি করেছেন। তিনি বলেন,’বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের পরিবেশকে নষ্ট করছেন। শিক্ষাঙ্গনে এমন ঘটনা লজ্জার। দোষীর শাস্তির সঙ্গে প্রধান শিক্ষকের বদলিরও দাবী করছি। ঘটনার কথা জানানো সত্ত্বেও এখনো প্রধান শিক্ষক কোন পদক্ষেপ নেননি।’ এদিকে মানিকচক থানার পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। তবে এখনো অধরা অভিযুক্ত ওই পড়ুয়া। ঘটনার জেরে মুখে কুলুপ এঁটেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here