Parul

মহানগর ডেস্ক: মঙ্গলবার প্রকাশিত হয়েছে মাধ্যমিকের ফলাফল। এবার কিছুটা ব্যাতিক্রমী নিয়ম মেনেই হয়েছে পরীক্ষা এবং ফলপ্রকাশ। করোনা পরিস্থিতিতে পরীক্ষা দিতে না পারায় , দুঃখ প্রকাশ করেছেন অনেক ছাত্র-ছাত্রীরায়। পরীক্ষা হ‌ওয়া এবং ফলপ্রকাশ নিয়েও নানা মন্তব্য উঠে এসেছে বিভিন্নভাবে। 

ads

 

করোনা পরিস্থিতির কারণে হয়নি মাধ্যমিক পরীক্ষা। নবম শ্রেণির ফলাফলের ওপর নির্ভর করেই করা হয়েছে মূল্যায়ন। পরিস্থিতির কারণে জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ হারিয়েছেন বহু ছাত্র-ছাত্রী। এই কারণে খুশি নয় অনেকেই।

 

ছাত্র-ছাত্রীদের অনেকেই মনে করেননি নবম শ্রেণীর মূল্যায়ন এতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। অধিকাংশের ফল ভালো হলেও পরীক্ষা দিয়ে সেই নম্বর পেলেই বেশি খুশি হতেন ছাত্র-ছাত্রীরা। বেশ কিছু ছাত্র-ছাত্রীদের মতে, তাঁরা ভেবেছিলেন পরীক্ষা হবে, সেই অনুযায়ী প্রস্তুতিও শুরু করেছিলেন অনেকে, কিন্তু জুন মাসে জানা গেল পরীক্ষা বাতিল হয়েছে ফলত প্রস্তুতি কোনো কাজেই এলোনা তাঁদের।আবার একাংশের মতে, নবম শ্রেণীর পরীক্ষার প্রস্তুতি খুব একটা ভালো না থাকায়, সেই শ্রেণীর ভিত্তিতে মূল্যায়নে আশানুরূপ নম্বর পাননি তাঁরা। 

 

মাধ্যমিক যেহেতু একটি বড় পরীক্ষা তাই কম-বেশি সকলেই এই পরীক্ষার আগে নিজেদের প্রস্তুতি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। শ্রেণীর পরীক্ষা এবং মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রস্তুতির মধ্যে একটা পার্থক্য সবসময়ই থাকে। কিন্তু এবছর শেষ মুহূর্তে পরীক্ষা বাতিল হ‌ওয়ার খবরে সকল ছাত্র- ছাত্রীরায় বিষন্ন হয়ে পড়ে। 

 

শিক্ষকদের একাংশ মনে করেন, নিম্ন বা মধ্য মেধার পড়ুয়ারা এই মূল্যায়নে বঞ্চিত হয়নি। তাঁরা এই মূল্যায়নে লাভবান‌ই হয়েছে। কিন্তু উচ্চ মেধার পড়ুয়ারা নিজেদের বঞ্চিত মনে করতে পারে। পশ্চিমবঙ্গ

সরকারি বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সৌগত বসু জানিয়েছেন, ‘‘আমরা আগেই বলেছি, এই মূল্যায়ন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে হচ্ছে না। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে কোনও একটা পদ্ধতি স্থির করতেই হত। তবে উচ্চ মেধার পড়ুয়ারা সন্তুষ্ট না-ও হতে পারে।’’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here