baruipur news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: করোনার প্রকোপের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে কালোবাজারি। করোনার প্রভাব ভারতে পরতে শুরু করার পর থেকেই মানুষের হ্যান্ড স্যানিটাইজার কেনার তাগিদ বাড়ে হুহু করে। ফলে অচিরেই বাজারে বাড়ন্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার। এমনই অবস্থা যে এই সময়ে যাদের এই স্যানিটাইজার সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সেই ডাক্তার, নার্স, সাফাই কর্মী, এমনকি পুলিশকর্মীরাও তা পাচ্ছেন না।

এহেন পরিস্থিতিতে এগিয়ে এল বারুইপুরের একদল ছাত্র। উৎকর্ষ বাংলা স্কিমের অন্তর্গত বারুইপুরের কাদাম ফিট এন্ড ফাইন সেন্টারের ফিটনেস ট্রেনিং কোর্সের ছাত্ররা বানিয়ে ফেলল হোম-মেড হ্যান্ড স্যানিটাইজার। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা হু’র ফর্মুলা মেনেই এই হ্যান্ড স্যানিটাইজার বানিয়েছে সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত এই ছাত্ররা।

বর্তমান বাজারে মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার প্রিন্টেড দামের থেকে অনেক বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। কোথাও কোথাও দুই সপ্তাহ আগে অর্ডার দিলে তবেই তা হাতে মিলছে। এমন অবস্থাতে এই হ্যান্ড স্যানিটাইজার প্রশাসনের অনুমুতি নিয়ে বিভিন্ন বস্তি ও অসহায় মানুষের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ছাত্ররা।
এই প্রসঙ্গে ওই প্রতিষ্ঠানের পরিচালক নিবেদিতা ভঞ্জ জানান, ‘বর্তমান পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ছাত্ররা মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরির সিদ্ধান্ত নেয়। আশা করা যায় আমাদের এই প্রচেষ্টা বর্তমান পরিস্থিতির কিছুটা সহায়ক হয়ে উঠবে।’

প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগে একই কারণে ল্যাবে হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরি করে চমকে দিয়েছিলেন সুরেন্দ্রনাথ কলেজের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপকরা। তারাও হু’র ফর্মুলা মেনেই তৈরি করেছিলেন হ্যান্ড স্যানিটাইজার। প্রশাসনের অনুমতির জন্য তাদের তৈরি হ্যান্ড স্যানিটাইজারের স্যাম্পেলও পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here