kolkata news

নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: বিবাহ বর্হিভূত সম্পর্কের সন্দেহে স্ত্রীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর পর বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে খুন। তারপর ৯ মাসের কন্যা সন্তানকেও খুনের চেষ্টা! শেষে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী হল স্বামী। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কালনা মহকুমার মন্তেশ্বর থানার মন্তেশ্বর উত্তরপাড়া গ্রামে। মৃতদের নাম অচিন্ত্য সাঁতরা (৩৫) ও জবা সাঁতরা (২১)। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ৯ মাসের শিশুকন্যাকে ভর্তি করা হয়েছে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।

মৃত অচিন্ত্য সাঁতরার ভাই সনৎ সাঁতরা জানিয়েছেন, বেশ কিছুদিন ধরেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি চলছিল। এই অশান্তির জেরে কিছুদিন আগে তাঁর বৌদি জবা সাঁতরা বাপের বাড়ি চলে যান। দাদা অচিন্ত্য সাঁতরা বৌদিকে অন্য পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে বলে সন্দেহ পোষণ করতেন। তার জেরেই এই অশান্তি চলছিল। এদিকে, ক’দিন আগেই জবা সাঁতরাকে বাপের বাড়ি থেকে ফিরিয়ে নিয়ে আসেন অচিন্ত্যবাবু। এরপর মঙ্গলবার সকাল ১১টা নাগাদ অচিন্ত্য সাঁতরা প্রথমে তাঁর স্ত্রীকে বাঁশ দিয়ে ব্যাপক মারধর করে। তারপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে এলোপাথাড়ি কোপায়। এই সময় জবা সাঁতরার কোলে থাকা শিশু কন্যাটিকেও আঘাত করতে পিছুপা হয়নি অচিন্ত্য সাঁতরা।

স্ত্রীর মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পরই অচিন্ত্য গোয়াল ঘরে গিয়ে নিজেই গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী হয়। এরপর গ্রামবাসীরা বিযষয়টি জানতে পেরে সকলকেই প্রথমে মন্তেশ্বর হাসপাতাল এবং পরে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক দু’জনকেই মৃত বলে ঘোষণা করেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় শিশুকন্যাটি চিকিৎসাধীন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। এই ঘটনায় গোটা এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে মন্তেশ্বর থানার পুলিশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here