মহানগর ওয়েবডেস্ক: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু স্পষ্টই জানিয়ে দিয়েছিল, তাপমাত্রার তারতম্যে করোনার ভাইরাস নষ্ট হয় না। তবে এবার আমেরিকার হোমল্যান্ড ডিপার্টমেন্টের গবেষক উইলিয়াম ব্রায়ান এক চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন, সূর্যের রশ্মিতে নাকি করোনা ভাইরাস ধ্বংস হয়ে যায়। যদিও এই গবেষণায় চূড়ান্ত সিলমোহর পড়েনি। সেই কারণে এখনই এই নিয়ে বেশি শোরগোল ফেলতে নারাজ আমেরিকা।

এদিন হোয়াইট হাউসে উইলিয়াম ব্রায়ান সাংবাদিকদের সামনে দাবি করেন, সরকারি বিজ্ঞানীরা সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মির মধ্যে একপ্রকার ক্ষমতা খুঁজে পেয়েছেন যা ভাইরাসে থাকা প্যাথোজেনের উপর আঘাত হানতে সক্ষম হয়। ‘এখনও পর্যন্ত আমাদের কাছে সবথেকে আশাব্যাঞ্জক পর্যবেক্ষণ হল, মাটিতে এবং বাতাসে, উভয় জায়গাতেই সূর্যরশ্মি ভাইরাসটাকে মেরে ফেলছে।’ বলেন ব্র্যায়ান। তাঁর আশা, গ্রীষ্মকাল অতিবাহিত হওয়ার আগেই তাই করোনার সংক্রমণ কিছুটা হলেও বাগে চলে আসবে। ব্রায়ান তাঁর একটি গবেষণার উপস্থাপনায় দেখান যে উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়া করোনাভাইরাসের আয়ু অর্ধেক করে দেয়। ফলে সূর্যালোক ভাইরাসকে দ্রুত শেষ করে দেয় বলেই দাবি করছেন তিনি।

সরকারি বিজ্ঞানীর এই দাবি শুনে আশার আলো দেখতে শুরু করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও। ব্রায়ানের এই গবেষণার কথা জানার পর প্রেসিডেন্ট গভীর ভাবে চিন্তিত হয়ে ভাবতে শুরু করেছেন সূর্যের আলো কী ভাবে মানুষের শরীরের ভেতরে প্রবেশ করানো যায়। এরপরই তিনি অন্ধকারের মধ্যে আলো খুঁজে পান। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, বিশেষজ্ঞদের উচিত এমন কোনও পদ্ধতি আবিষ্কার করা যার মাধ্যমে সূর্যের আলো ও সংক্রামক প্রতিরোধী দ্রব্য মানুষের শরীরে ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে প্রবেশ করিয়ে দেওয়া যায়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, যে গবেষকরা নিশ্চয়ই তীব্র শক্তিশালী আলো শরীরের মধ্যে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করছেন। এছাড়াও যেহেতু ডিসইনফেকটেন্ট বা সংক্রামক প্রতিরোধী দ্রব্য ১ মিনিটে ভাইরাসকে মেরে ফেলে সেহেতু যদি সংক্রামিতের শরীরে সেই দ্রব্য প্রবেশ করিয়ে দেওয়া যায় তাহলে সেটা ফুসফুসে পৌঁছে যাবে। এবং ফুসফুসে বাসা বাঁধা কোভিড–১৯ নিমেষে ধ্বংস হয়ে যাবে। বিষয়টি খুব আগ্রহোদ্দীপক বলে মন্তব্য করেন প্রেসিডেন্ট। ব্রায়ান অবশ্য বলেন সেরকম কিছু ভাবা হয়নি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here