FotoJet-2-10

ডেস্ক: ফের ভূতেদের জন্য সুপ্রিম ধাক্কা খেল রাজ্যসরকার। তবে এটা বাস্তবের ভূত নয় সিলভার স্ক্রিনের ভূতেদের জন্য সুপ্রিম কোর্টে এর আগেও নাকানি-চোবানি খেতে হয়েছে রাজ্যকে। এবার আরও বড় ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। ঘটনার সূত্রপাত ‘ভবিষ্যতের ভূত’ সিনেমার মুক্তির দিন থেকেই। সিনেমাহলে মুক্তি পায় অনীক দত্ত পরিচালিত ‘ভবিষ্যতের ভূত’ সিনেমাহল গুলিতে হাউসফুল হয় রাজ্য জুড়ে। কিন্তু হঠাৎ করেই কলকাতা সহ শহরতলির বেশকিছু সিনেমাহল ও মাল্টিপ্লেক্সে এই সিনেমার প্রদর্শন বন্ধ করে দেওয়া হয়। এমনকি বেশ কিছু জায়গায় পুলিশ গিয়ে প্রদর্শন বন্ধ করে দেয় এমনটা অভিযোগ ওঠে।

কারণ হিসাবে জানা যায় ওপরমহলের নির্দেশে এই কাজ করা হয়েছে। এমনকি রাতারাতি কলকাতার প্রত্যেকটি সিনেমাহল থেকে নামিয়ে দেওয়া হয় এই সিনেমা। যার ফলে বেজায় চটে যান প্রযোজক ও পরিচালক। তাঁদের দাবি ছিল এর পিছনে রাজনৈতিক চক্রান্ত রয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে বারবার রাস্তায় নামতে দেখা গিয়েছে ছবির কলাকুশলি ও পরিচালক অনীক দত্তকে। তারপরে সুপ্রিম কোর্ট ও কলকাতা হাইকোর্টে দুটি পৃথক মামলা দায়ের করে সিনেমা কর্ত্বপক্ষরা।

 

তাঁদের দাবি ছিল দর্শক এই ছবিকে গ্রহণ করলেও পুলিশ এসে হঠাৎ করেই বন্ধ করে দেয় এই সিনেমাটি। এই অভিযোগের ভিত্তিতে গত ১৫ মার্চ সুপ্রিম কোর্ট জানায় সমস্ত সিনেমা হলে দেখানো যাবে ‘ভবিষ্যতের ভূত’ ছবিটি। তারপরেও রাজ্যে একাধিক সিনেমাহলে প্রদর্শন বন্ধ রাখা হয়েছে। তাই আবারও প্রযোজক সংস্থার তরফ থেকে আদালতের দ্বারস্থ হয়ে বিষয়টি নিয়ে পর্যালোচনার দাবি জানায় তাঁরা। তারপর ২৫ মার্চ সুপ্রিম কোর্ট ডিওয়াই চন্দ্রচূড় জানান, রাজ্যসরকারকে চিঠি লিখে সমস্ত হলকে জানাতে হবে এই ছবি দেখাতে কোনও আপত্তি নেই তাঁদের।

 

পাশাপাশি এই সিনেমা বন্ধের পিছনে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিচারপতি। তারপরেই গত ৫ এপ্রিল রাজ্যজুড়ে ফের মুক্তি পায় ‘ভবিষ্যতের ভূত’। এদিন সেই মামলার রায়ে ফের বড়সড় ধাক্কা খায় রাজ্যসরকার। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি যেহেতু এই সিনেমা মুক্তির পর বন্ধ করে দেওয়া হয়। তাঁর পরিপ্রেক্ষিতেই সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জানিয়েছেন রাজ্যকে ক্ষতিপূরণ বাবদ ২০ লক্ষ টাকা দিতে হবে জরিমানা স্বরুপ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here