kolkata bengali news

ডেস্ক: গুজরাত হাইকোর্টের পর এবার সুপ্রিম কোর্টে জোর ধাক্কা খেলেন গুজরাতের পতিদার নেতা হার্দিক প্যাটেল। গুজরাত আদালত তাঁর শাস্তি রদের আর্জিতে সাড়া না দেওয়ার ফলে সুপ্রিম দ্বারস্থ হন সদ্য কংগ্রেসে পা দেওয়া এই নেতা। কিন্তু সেখানেও তাঁর আর্জি শোনা হল না। যার ফলে তাঁর লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা অনিশ্চিত হয়ে গেল।

হার্দিকের বিরুদ্ধে দাঙ্গা লাগানোর যে অভিযোগ ছিল তাতে শাস্তি রদের আবেদন করেছিলেন তিনি। সেই আবেদন খারিজ করে দেয় গুজরাত হাইকোর্ট। এরপর তিনি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল। এদিন শুনানির সময় হার্দিকের আইনজীবীর কাছে শীর্ষ আদালত জানতে চায় যে, এত তাড়া কীসের? উল্লেখ্য, আগামী ৪ এপ্রিলের মধ্যে তাঁর শাস্তি রদের মামলায় সুপ্রিম কোর্ট ইতিবাচক পদক্ষেপ না করে তাহলে নির্বাচনে লড়াই করা অনিশ্চিত হয়ে যাবে।

 

২০১৫-য় গুজরাতে পাতিদার আন্দোলনের সময় ভিসনগরে দাঙ্গা লাগানোর অভিযোগ ওঠে হার্দিক প্যাটেলের বিরুদ্ধে। গত বছর জুলাইয়ে সেই মামলায় আদালত তাঁকে দু’বছরের কারাদণ্ডও দেয়। এত দিন তিনি জামিনে ছিলেন, কিন্তু বেকসুর খালাস হননি। এই মামলাতেই তাঁর শাস্তি রদের আবেদন করেছিলেন হার্দিক, যা খারিজ হয়েছে। নিয়মানুসারে, কোনও মামলায় দোষী সাব্যস্ত কোনও ব্যক্তি নির্বাচনে লড়তে পারবেন না। আদালতের এই সিদ্ধান্তে হার্দিক তো বটেই, চরম অস্বস্তিতে পড়েছে কংগ্রেস শিবিরও।

কংগ্রেস শিবিরে যোগ দিয়ে জামনগর থেকে আসন্ন নির্বাচনে লড়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন হার্দিক। সেইমতোই নিজেদের ঘুঁটি সাজিয়েছিল কংগ্রেস। নরেন্দ্র মোদীর বিপক্ষে যাঁরা সবচেয়ে বেশি সুর চড়িয়েছিলেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন পতিদার নেতা হার্দিক প্যাটেল। আর কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার পর সেই সুর যে আরও চড়বে তা বলাই বাহুল্য ছিল। কিন্তু এখন সুপ্রিম রায়ে অন্ধকার দেখছেন হার্দিক সহ গোটা কংগ্রেস শিবির।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here