kolkatanewspaper

ডেস্ক: আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের বহু আগে থেকেই বিরোধীরা সরব হয়েছে ইভিএম প্রসঙ্গে। ভোট স্বচ্ছ করতে ইভিএম-এ কারচুপি রোধ করতে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশনও। কিন্তু এবার দেশের শীর্ষ আদালতও নির্বাচন কমিশনের সমালোচনায় মুখর হল। ইভিএম-এর স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট।

আগেই, বিরোধীরা ইভিএম মেশিন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়। দাবি জানানো হয়, স্বচ্ছতার প্রশ্নে অন্তত ৫০ শতাংশ কেন্দ্রের ইভিএম ও ভিভিপ্যাট-এর ফল তুলনা করে দেখুক কমিশন। মঙ্গলবার এই মামলার শুনানিতে কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশে প্রায় ৯০ কোটি ভোটার। তার অর্ধেক তো দূরে থাক, ৩০ শতাংশ ভোটারের ফলাফল তুলনা করে দেখাটাই বিরাট সময় সাপেক্ষ বিষয়। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের এই যুক্তি মানতে চাননি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ। তিনি নির্দেশ দেন, ইভিএম ও ভিভিপ্যাটের মধ্যে ফলাফলের তুলনা আরও বাড়াতে হবে। বর্তমানে কেবল একটি কেন্দ্রে তুলনা হয়ে থাকে। তারা নিজেরাই সেই সংখ্যা বাড়াতে পারে কি না, তা আজ কমিশনের প্রতিনিধিদের কাছে জানতে চান গগৈ। আগামী ১ এপ্রিল ফের এই মামলার শুনানি।

 

প্রসঙ্গত, ইভিএম-এ কারচুপি সম্ভব এবং গত লোকসভা নির্বাচনে তার ব্যবহার হয়েছিল বলে তথ্য সামনে আসতেই হইচই পড়ে যায় গোটা দেশে। মূলত, বিজেপি সঙ্গে কংগ্রেসের আঁতাতও আরও জোরদার হয়। এমনকি ব্যালট ফিরিয়ে আনার প্রস্তাবও দেওয়া হয়। কিন্তু নির্বাচন কমিশন সাফ জানিয়ে দেয়, ব্যালটে ফেরার কোনও প্রশ্নই নেই, ইভিএম-এই হবে নির্বাচন। কংগ্রেস সর্বাগ্রে বিরোধিতা শুরু করলেও উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি একতরফা জেতার পরেই ইভিএম-এ কারচুপির অভিযোগে সরব হন বিএসপি নেত্রী মায়াবতী। তাঁর পর, একে একে অন্য বিরোধী নেতা-নেত্রীরাও ইভিএম-এ কারচুপি নিয়ে প্রতিবাদ জানায়। সেই প্রেক্ষিতেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় তাঁরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here