traffic

ডেস্ক: সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে মানুষের আর্থিক সঙ্গতি। একইসঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে দেখনদারি মানসিকতা। প্রতিবেশী যদি একটি গাড়ি কেনে তবে আমার কিনতে হবে অন্তত দুটি। এই মানসিকতার ফল ভুগছে প্রকৃতি। সমীক্ষা বলছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দেশের বাতাস হয়ে উঠছে বিষাক্ত। উন্নয়নের জাঁকজমকের পাশাপাশি গাড়ির ধোঁয়া এক অন্যতম কারণ বিষ বাতাসের। তাই এবার সেখানে লাগাম টানার জন্য অনন্য উপায়ের কথা শোনাল দেশের শীর্ষ আদালত। জনসংখ্যার বৃদ্ধি রুখতে সরকার ‘যেভাবে হাম দো হামারে দো’ সচেতনতা মূলক প্রচার করেছিল তা এবার গাড়ির জন্যও করার কথা বলল আদালত।

শুক্রবার এই সংক্রান্ত এক মামলায় সুপ্রিম কোর্ট জানায়, ‘পরিবারের প্রায় প্রত্যেক রোজগেরে সদস্যের একটি করে গাড়ি রয়েছে। তাই বলে ৫ টি গাড়ি এটা মেনে নেওয়া যায় না। প্রত্যেক পরিবারের এবার গাড়ির জন্য পরিবার পরিকল্পনা করা উচিৎ। তা হল ‘হাম দ হামারে দো’। শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি দীপক মিশ্র ও অরুণ মিশ্র এমনই মন্তব্য করলেন দেশে দিন দিন হুড়মুড়িয়ে বেড়ে চলা গাড়ির সংখ্যা প্রসঙ্গে। ওই ডিভিশন বেঞ্চের দাবি, গোটা দেশে প্রতিদিন প্রায় ৩২ লক্ষ গাড়ি তৈরি হয়। এই বিশাল সংখ্যাটা এবার নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন। অন্যথায় গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা থাকবে না।

প্রসঙ্গত, ব্যাপক পরিমাণ গাড়ি সংখ্যার জেরে প্রবল দূষণের কবলে দিল্লি। ব্যাপক বায়ু দূষণের জেরে সেখানে মাসে এক দিনের জন্য গাড়ি ছাড়া চলার আবেদন জানান দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। কিন্তু কোনও কিছুতেই নিয়ন্ত্রণে আসেনি দিল্লির আবহাওয়া। এরই মাঝে এবার এই ভয়াবহ পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে প্রাক্তন সরকারের সচেতনতা নীতিকে তুলে ধরল আদালত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here