kolkata bengali news

ডেস্ক: দুই নাবালিকা কিশোরীকে জোর করে বিয়ে করে তাঁদের ইসলামিক ধর্মে রূপান্তরিত করার ঘটনায় পাকিস্তানের ওপর চাপ বাড়াল ভারতীয় বিদেশমন্ত্রক। বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ পাক সরকারকে ওই দুই কিশোরীকে যত দ্রুত সম্ভব তাঁদের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার কথা বলেছেন।

হোলির দিন পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশে দুই কিশোরী রাভিনা এবং রিনাকে অপহরণ করে নেয়। অপহরণের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয় যেখানে দেখা যাচ্ছে ওই দুটি মেয়ের বিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ভারতের তরফ থেকে এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ার পরেই পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান গোটা ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেন। এর পাশাপাশি সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা এবং অধিকার নিয়ে ভারত পাকিস্তানকে একটি চিঠিও লেখে বলে জানা গিয়েছে। সুষমা স্বরাজ মঙ্গলবার টুইট করে লেখেন যে, পাকিস্তানে দুজন কিশোরীর জোর করে ধর্ম পরিবর্তন করানো হয়েছে। তাঁদের বয়স নিয়ে কোনও বিভ্রান্তি নেই। রাভিনার বয়স ১৩ এবং রিনার বয়স ১৫। নয়া পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী কি এটাও জানেন না যে অল্প বয়সের মেয়েরাও বিয়ে বা ধর্ম নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে? আমার একটাই দাবি যে, যত দ্রুত সম্ভব ওই মেয়ে দুটিকে তাঁদের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করে দেওয়া হোক। এদিকে ইসলামাবাদ হাইকোর্টও ওই দুই কিশোরীকে তাঁদের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য পাক সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে।

 

তাঁদের অপহরণের পর পরবর্তী আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, ওই মেয়ে দুটি স্বীকার করছে যে, তারা স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে এবং কেউ তাদের জোর করে বিয়ে করতে বাধ্য করেনি। এই ঘটনার পর পাকিস্তানের হিন্দু সম্প্রদায় বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। এই ঘটনায় যারা জড়িত তাদের কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হয়। এই ঘটনার জেরে ঘোটকি জেলার বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভ দেখায় হিন্দু্রা। এরপর পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এফআইআর নিতে বাধ্য হয়। পুলিশের এক শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন, এই ঘটনায় জড়িত থাকার দায়ে একজন কাজই ও ২ জনকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here