kolkata bengali news

ডেস্ক: পেশা এবং ব্যক্তিগত জীবনকে আলাদা রেখে কাজ করে চলেছেন করিনা কাপুর খান। কাজের থেকে কিছুটা সময় বিরতি নিয়ে অভিনেত্রী এখন বিদেশে ছুটি কাটাচ্ছেন, প্রিয় বন্ধু অমৃতা আরোরার সঙ্গে। মাঝেমধ্যেই ছুটি কাটাতে তিনি বিদেশে পাড়ি দেন। কিছুদিন আগেই ‘গুড নিউজ’ ছবির শ্যুটিং সেরেছেন তিনি। স্বামী সইফ এবং ছেলে তৈমুরকে নিয়ে ছুটি কাটিয়েও এসেছেন। বন্ধুদের সঙ্গে আবার নতুন করে ছুটি কাটাতে গিয়েছেন তাঁর পছন্দের জায়গা লন্ডনে। তবে যতটা না বেশি খবরে থাকেন অভিনেত্রী, তাঁর চেয়ে বেশি দেখা যায় ছোট নবাব তৈমুরকে। কখনও  মায়ের কোলে কখনও বা ন্যানির সঙ্গে তৈমুরকে ঘুরতে দেখা যায়। নেটিজনদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে ছোট নবাব। যার জেরে রাগ প্রকাশ করেছিলেন বাবা সইফ। অভিনেতা বলেন, তোমরা কী আমার ছেলেকে অন্ধ করতে চাও? এরপরেও তৈমুরের ছবি তোলা এবং তা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হচ্ছে।

তবে ছেলেকে নিয়ে মুখ খুললেন মা করিনা। এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, তৈমুর ভয়ঙ্কর এবং খুব দুষ্টু। একেবারে ওর বাবার মতোন হয়ে গেছে। এখানেই থেমে ছিলেন না অভিনেত্রী তিনি বলেন, আমরা যা বলি সেই কথাই আমাদের শোনায়। একদিন আমায় বলে মা তুমি হেসো না, মা তুমি কাশবে না, এটা করবে না ওটা করবে না। প্রত্যেকদিন বকা দিয়ে চলে আমায় এবং সইফকে। আমরা তৈমুরকে যা করতে বারণ করি সেই কথাই আমাদের বলে। আমাদের কথাগুলোকে ও বারবার পুনরাবৃত্তি করে চলে। পাশাপাশি ফোটা তোলা এবং সংবাদমাধ্যমে প্রতিদিনই তৈমুরের নাম আসাকে কী ভাবে দেখেন করিনা? উত্তরে তিনি বলেন, ও বাচ্চা, কিছুই বোঝে না। তাই কেউ যখন ওর ছবি তোলে সে খুব খুশি হয়। তাঁদের উদ্দেশে হাতও নাড়ায়। আমার মনে হয় ওকে একা ছাড়া দরকার। কারণ তৈমুরের বোঝার বয়স হয়নি। বাকি বাচ্চাদের মতো খেলা, মজা করা এটাই তার কাজ।

করিনা আরও বলেন, কেউ যদি ছবি তুলতে চায় তাহলে সে রণবীর সিংয়ের ছবি তুলুক। কেন আমার ছেলের পিছনে পড়ে আছে? শান্তিতে থাকতে দিচ্ছে না কেন? জানি এটা তাঁদের কাজ, কিন্তু একটার বাচ্চার ছবি তোলা এবং তা ভাইরাল করা কী উচিত? আমি সারাক্ষণ তাকে আড়লে রাখতে পারব না। কোথাও গেলে মুখ, চোখ ঢেকে নিয়ে যেতে পারব না। এরকম করলে সে ভয় পাবে। আর পাঁচটা বাচ্চাদের মতো তাকে বড়  হতে হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here