kolkata bengali news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: পিঠের উপর লক্ষ টন ভার নিয়ে এতদিন ধুঁকে ধুঁকে চললেও মুখে রা কাড়েনি সে। তবে অভিভাবকদের তৎপরতায় সম্প্রতি নজর পড়েছিল তার দিকে। এরপরই বোঝা গেল হাল বেশ খারাপ অতি বৃদ্ধ টালা ব্রিজের। পুরানো জরাজির্ন এই ব্রিজ ভেঙে নতুন ব্রিজ গড়ার পক্ষেই মত দিয়েছে বিশেষজ্ঞরা। যার জেরে বেশ চিন্তায় পড়ল নবান্ন। নতুন ব্রিজ তৈরিতে সময় লাগবে প্রায় ৩ বছর। এই দীর্ঘ সময়কালে যান চলাচলের কী হবে?

রাইট নামের যে সংস্থাকে টালা ব্রিজের হালহকিকত জানতে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তাদের তরফে এই ব্রিজের দুর্বল অংশ ভেঙে ফেলার রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে নবান্নকে। এরপরই চিন্তায় পড়েছে রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার রাজ্যের মুখ্যসচিবের সঙ্গে এই বিষয়ে বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে মঙ্গলবার পূর্ত দফতরের তরফে এক নির্দেশিকা পেশ করে জানানো হয়েছিল টালা ব্রিজে বসতে চলেছে হাইট বার। যার জেরে সম্পূর্ণ রুপে বন্ধ করে দেওয়া হবে ব্রিজের উপর ভারী যান চলাচল। ৮ ফুট উঁচু এই হাইট বারের জেরে কোনও ভারী গাড়ি আর পাশ করতে পারবে না এই ব্রিজ ধরে। যা তৈরি খরচ হবে ২৬ লক্ষ টাকা। ২১ দিনের মধ্যেই এই হাইটবার সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পূর্ত দফতর।

এরপরই এই ব্রিজ পরিদর্শনে যান গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স, রাইটস, রেল ও পূর্ত দফতরের আধিকারিকরা। ব্রিজ পরিদর্শনের পর এই ব্রিজ ভেঙে ফেলার পক্ষেই রায় দেন তারা। এই চার সংস্থার রিপোর্ট ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছে নবান্নের কাছে। এরপরই বেড়েছে চিন্তা। কারণ টালা ব্রিজের নীচে বসবাস করেন বহু মানুষ। যদিও তাদের রেল ইয়ার্ডের পিছনে খালপাড়ে জায়গা দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।পাশাপাশি বেশকিছু বাড়িও দেখা হয়েছে তাদের পুনর্বাসনের জন্য। কিন্তু ব্রিজ তৈরিতে সময় লাগবে প্রায় তিন বছর এই দীর্ঘ সময় নিয়েও চিন্তায় সরকার। ফলে আপাতত হাইটবার বসিয়ে বাস ও পন্যবাহী গাড়ি বন্ধ করেই ব্রিজটিকে চালু রাখা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here