মুকেশ আম্বানির বাড়ির সামনে বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল। এবার সেই গাড়ির মালিকের মৃত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় ঘিরে আবারও ধোঁয়াশা তৈরী হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত ওই ব্যক্তির নাম মানসুখ হিরেন। মুম্বাব্রার কালওয়া ক্রিকের সামনে থেকে সকাল ১০.২৫ নাগাদ তার দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের সূত্রে জানা গিয়েছে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যেবেলা থেকেই নিখোঁজ ছিল মানসুখ। মানসুখের নিখোঁজ হওয়ার খবর মুম্বাইয়ের থানেতে স্থানীয় নৌপাড়া পুলিশ স্টেশনে জানায় মনসুখের নিখোঁজ হওয়ার কথা জানায় পরিবারের সদস্যরা।

কিছুদিন আগেই মুকেশ আম্বানির বাড়ির সামনে থেকে বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িযেছিল।তার কিছুদিনের মধ্যেই মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ জানিয়েছিলেন, হিরেনের সঙ্গে অফিসার শচীন ভাজের যোগাযোগ রয়েছে। গত একবছরে তাদের সমস্ত ফোন কলের রোকর্ডিং রয়েছে বলেও জানিয়েছিলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ। যদিও তার প্রেক্ষিতে শচীন ভাজে জানিয়েছিলেন তিনি হয়ত কোনদিন দেখা করেছিলেন কিন্তু তার এই বিষয়ে কোন কথা মনে নেই। সূত্রের খবর, ঠিক তারপরেই এই ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে।

উল্লেখ্য গত সপ্তাহে মুম্বাইয়ের বিজনেস টাইকুন আম্বানির বাড়ির সামনে থেকে প্রায় ২০টি জেলেটিন সহ কিছু বিষ্ফোরক রাখা একটি গাড়ি উদ্ধার হয়। বোম্ব স্কুয়াডের তল্লাশি চালানোর পর সেই গাড়ি থেকে একটি চিঠিও উদ্ধার করে মুম্বাই পুলিশ। চিঠিতে মুকেশ আম্বানি এবং তার স্ত্রী নীতা আম্বানিকে হুমকি দেওয়া হযেছিল বলে জানায় পুলিশ। তদন্ত চলাকালীন পুলিশ জানিয়েছে ওই গাড়িটি মুম্বাইয়ের ভিকরোলি এলাকা থেকে প্রায় ১০ দিন আগেই  চুরি করা হয়েছিল। তার পাশাপাশি গাড়িটির রেজিস্ট্রেশন নম্বরও নকল ছিল বলেও জানিয়েছে মুম্বাই পুলিশ।

নকল রেজিস্ট্রেশন নম্বরের পাশাপাশি আরও চারটি নম্বর প্লেট উদ্ধার হয়েছিল গাড়িটি থেকে। প্রত্যেক চারটি রেজিস্ট্রেশন নম্বর নীতা আম্বানির জেড প্লাস সিকিউরিটি গাড়ির নম্বার প্লেটের সঙ্গে এক ছিল বলেও তদন্তে সামনে এসেছে।

মুম্বাই পুলিশের তরফে আরও জানানো হয়েছে, টেলিগ্রামে একটি মেসেজ আসে এবং তাতে এই কাজের সঙ্গে জৈইশ-ই-হিন্দ গোষ্ঠীর যোগাযোগ আছে বলে জানানো হয়েছিল। যদিও সেই বিষয়ে এখন কোন তদন্ত চলছে এবং এই বিস্ফোরকের ঘটনার সঙ্গে আদেও কোন যোগ রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে মুম্বাই পুলিশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here