ডেস্ক: খাবারের ঘন্টা বাজতেই খাওয়ার ঘরে মিড ডে মিল খেতে হুড়মুড়িয়ে ঢুকে পড়েছিল ছাত্রছাত্রীরা। প্রত্যেকদিনের মতো ছাত্রছাত্রীদের ঠিকমতো খেতে দেওয়া হচ্ছে কিনা তার তত্ত্বাবধান করছিলেন স্কুলের শিক্ষিকা। এরই মাঝে হাড়হিমকরা ঘটনা ঘটে গেল ঝাড়খন্ডের সেরাইকেলা-খারওয়ান জেলার খাপরাসাই প্রাথমিক স্কুলে। স্কুলে ঢুকে ছাত্রছাত্রীদের সামনেই শিক্ষিকাকে টেনে নিয়ে গিয়ে তাঁর মাথা কেটে ফেলল এক মত্ত যুবক। শুধু তাই নয় কাটা মাথা হাতে নিয়ে প্রকাশ্য রাস্তায় উল্লাসে মাতল সে। ঘটনার জেরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ওই এলাকায়

পুলিশ সুত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত ওই যুবকের নাম হরি হেমব্রম, আর মৃত ওই শিক্ষিকার নাম সুকরা হেসা। অভিযুক্ত হরি মানসিকভাবে অসুস্থ বলেই মনে করা হচ্ছে। স্কুলের কাছেই থাকত ওই অভিযুক্ত। সাংবাদিকদের সামনে এদিন স্থানীয় এসডিপিও অবিনাশ কুমার জানিয়েছেন, ‘এদিন হঠাৎই স্কুলের মধ্যে ঢুকে টেনে হিঁচড়ে বের করে আনে ওই শিক্ষিকা সুকরা হেসাকে। তারপর সে তাঁকে নিজের ঘরের দিকে নিয়ে যাওয়ার বাধা পাওয়ায় পথেই ভোজালি দিয়ে ওই শিক্ষিকার মাথা কাটে হরি। তবে শুধু এইটুকুটেই খান্ত থাকেনি সে, হাতে মাথা নিয়ে উল্লাসে মত্ত হয় ওই যুবক। ৫ কিলোমিটার দৌড়ে একটি জনলের মধ্যে ঢুকে পড়ে সে। দির্ঘক্ষনের চেষ্টার তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে, ওই শিক্ষিকার মাথা কেটে রাস্তার মধ্যেই ঘুরে বেড়াচ্ছিল অভিযুক্ত। জনতা তাঁকে চারিদিক থেকে ঘিরে ফেললেও অভিযুক্তের হাতে ভোজালি থাকার কারণে তার সামনে যেতে সাহস করেনি কেউ। তারপর ঘটনাস্থলে পুলিশ এলে সে দৌড়ে জঙ্গলের দিকে চলে যায়। এই ঘটনার বীভৎসতায় চমকে উঠেছে এলাকার মানুষ। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ওই যুবক সত্যিই মানসিক বিকারগ্রস্ত নাকি অন্য কোনও কারণ আছে এর পিছনে তার তদন্ত শুরু হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here