ডেস্ক: ভারতীয় বাহুসেনায় বিদেশী বিমানের পরিবর্তে এবার সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি তেজসের আসন পাকা হল। যুদ্ধক্ষেত্রে প্রতিদ্বন্দ্বীতার জন্য দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি তেজস সেভাবে সক্ষম না হওয়ার কারণে নির্ভর করে থাকতে হত ফ্রান্সের রাফায়েল ও অন্যন্য দেশের থেকে কেনা উন্নত প্রযুক্তির যুদ্ধবিমানগুলির উপর। তবে ত্রুটি কাটিয়ে সমস্ত পরীক্ষায় সফল হওয়ার পর সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি তেজস যুদ্ধবিমানকেই এখন থেকে দেখা যাবে যুদ্ধ ক্ষেত্রে।

যুদ্ধক্ষেত্রে তেজস কতটা সক্ষম তা পরীক্ষার জন্য ৮ থেকে ২১ এপ্রিল টানা ১৪ দিনের মহড়া চালায় ভারতীয় বায়ুসেনা। যার প্রথম দিনে ৬ টি বিমানে ত্রুটি ধরা পড়ায় পরে সেগুলি সারিয়ে নেওয়া হয়। বায়ু সেনার তরফে এই বিশাল মহড়া যোগের নাম দেওয়া হয়েছিল গগন শক্তি। অতপর সেই মহড়ায় তেজসের পারফরম্যান্সে খুশি বায়ু সেনা কর্তৃপক্ষ। বায়ুসেনার এক আধিকারিকের কথায়, ‘এই মহড়াতে তেজস খুব ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়েছে এবং তেজসের গুণগত মান যে অনেক বেড়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে তেজসের উৎপাদন হার অনেক কম, আগামী দিনে যা আরও বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে।’

বায়ুসেনার যুদ্ধ বিমানের ঘাটতি মেটাতে ২০১৬ সালে শেষবার ৫৯ হাজার কোটি টাকা খরচ করে ৩৬ টি রাফায়েল বিমান কিনেছিল ভারত। ডিআরডিও এবং হ্যালের যৌথ উদ্যোগে সম্প্রতি দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ৩২৪ টি তেজস ফাইটার জেট বিমান কেনার প্রস্তাব ওঠে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে। উল্লেখ্য, শব্দের চেয়ে দ্রুতগামী এক আসনের তেজসের একটি ইঞ্জিন। তেজসের পরীক্ষার জন্য এই মহড়ায় উপস্থিত ছিলেন ১৪০০ জন বায়ু সেনা আধিকারিক ও ১৩ হাজার কর্মী। এই ১৪ দিনে প্রায় ১ হাজার বার ওড়ানো হয়েছে বায়ু সেনার অন্যতম শক্তিশালী তেজস বিমানকে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here