ডেস্ক: নিরাপত্তাবাহিনী ও বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন তাং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি বা টিএনএলএর সংঘর্ষে উত্তপ্ত মায়ানমার। শনিবার সকাল ৫ টা নাগাদ ব্যাপক সংঘর্ষ বাধে দুইপক্ষের ঘটনার জেরে মৃত্যু হয়েছে ১৯ জনের। মৃতদের মধ্যে একজন পুলিশকর্মী, ৩ জন বিচ্ছিন্নতাবাদী ও বাকি ১৫ জনই সাধারন মানুষ। পুরো ঘটনার জেরে উদ্বিগ্ন মায়ানমার প্রশাসন। নতুন করে কোনও হামলার আশঙ্কায় এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। এই ঘটনাকে একটি সন্ত্রাসবাদী হামলা আখ্যা দিয়েছে মায়ানমারের সরকারি মুখপাত্র জ হাটে।

সূত্রের খবর, এদিন সকালে উত্তর মায়ানমারের শান স্টেটের সীমান্ত শহর মিউসেতে হামলা চালায় টিএনএলএ নামক মায়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন। এই সংগঠনের প্রায় ১০০ জনের একটি দল হামলা চালায় শহর থেকে কিছুটা দূরে এক্তি ক্যাসিনো ও নিরাপত্তাবাহিনীর শিবিরে। অতর্কিতে এই জঙ্গি হামলায় মৃত্যু হয় ১ জন নিরাপত্তারক্ষীর। প্রাথমিক ধাক্কা সামলে নিয়ে পাল্টা হামলা চালায় নিরাপত্তাবাহিনীও। নিরাপত্তাবাহিনীর গুলিতে মৃত্যু হয় ৩ জঙ্গির। দুপক্ষের গোলাগুলির মাঝে পড়ে মৃত্যু হয় ১৫ জন সাধারন মানুষের। ঘটনার জেরে জখম হয়েছেন আরও ২৪ জন। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, বর্তমানে মায়ানমার সেনা ও পুলিশের বেশিরভাগ অংশই মায়ানমারের পশ্চিম সীমান্তে রোহিঙ্গা সমস্যা সামলাতে ব্যস্ত। প্রশাসন সুত্রে জানা গিয়েছে, ঠিক এই সুযোগটাকেই কাজে লাগিয়ে উত্তরে হামলা চালিয়েছে জঙ্গিরা। অন্যদিকে, টিএনএলএ–র মুখপাত্র মেজর মেই আইক কাও বলেছেন, সেনা এবং পুলিশের কারনে কাচিন স্টেট এবং তাঁদের অঞ্চলে শান্তি বিঘ্নিত হচ্ছিল। ঠিক সেই কারনের এই হামলা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here