ডেস্ক: উত্তর আফগানিস্থানে জঙ্গিদের হাতে পণবন্দি প্রায় ১০০ জন, যার মধ্যে রয়েছে শিশু ও মহিলা। তালিবানদের দাবি, যতক্ষণ না তাদের দাবি মানা হচ্ছে  হচ্ছে ততক্ষণ এদের সবাইকে আটকে রাখা হবে। এই পণবন্দি ঘটনার একদিন আগে ইদ-উল- আধার জন্য তালিবানিদের সঙ্গে সংঘর্ষ বিরতি ঘোষণা করেন আফগান প্রেসিডেন্ট আসরাফ ঘানি। তিনি বলেন, তালিবানরা যাদের পণবন্দি করেছে তাদের যেন এখুনি ছেড়ে দেওয়া হয়, না হলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে যাব। অবশ্য এ বিষয়ে তালিবানদের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সূত্রের খবর, আফগান প্রেসিডেন্ট আসরাফ ঘানির সংঘর্ষ বিরতি মন্তব্যের পরেই তালিবানরা এই সংঘর্ষ বিরিতিতে রাজি হয়েছে। রবিবার আফগানিস্তানের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে আফগান প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ‘সোমবার থেকেই আমরা এই সংঘর্ষ বিরতি শুরু করব। আমারা অনুরোধ করছি শান্তি যেন বজায় থাকে। কোনও রকম সমস্যা যেন সৃষ্টি না হয়। হিংসার পথ ছেড়ে অহিংসা গ্রহণ করা হোক।’

অন্যদিকে, কাবুল ও গজনী সড়কে জঙ্গিরা লুকিয়ে আছে বলে জানাচ্ছে মার্কিন সেনা। গত দু সপ্তাহ ধরে গজনী সড়ক জুড়ে তালিবানদের তাণ্ডবলীলা চলছে। আতঙ্কে রয়েছেন সেখানকার মানুষজন। এই রকম একটা কঠিন পরিস্থিতিতে সেখানে যাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে বলে জানা গিয়েছে রাষ্ট্রপুঞ্জের তরফ থেকে। ত্রানের জন্য সেখানে কোনও দলকে পাঠাতে ভয় পাচ্ছে রাষ্ট্রপুঞ্জ। এই জঙ্গি হামলার জেরে আহত হয়েছে বেশ কয়েকজন মানুষ এবং নিহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০। এদিকে রাষ্ট্রপুঞ্জের মুখপাত্র জেনস লার্ক জানিয়েছেন, গজনী জায়গাটা একেবারেই নিরাপদ নয়, এখানে যখন তখন অঘটন ঘটে যেতে পারে। যদিও সেনারা গজনীতে গিয়ে অধিকাংশ জায়গা নিজেদের দখলে করে নিলেও এখনও কিন্তু পুরোপুরি সুরক্ষিত নয় বলে জানা যাচ্ছে। তালিবানরা জানায়, আফগানিস্তান থেকে সমস্ত রকম বিদেশি শক্তি হাঁটাতে হবে তা নাহলে কখনোই শান্তি ফিরে আসবে না। এদিকে ন্যাটো বাহিনীকে ফিরে যাওয়ার দাবি জানায় তারা।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here