Parul

মহানগর ডেস্ক: জুলাই এর প্রথমেই রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সরকারি ও বেসরকারি বাস চালানোর ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অত্যধিক হারে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় সরকারি বাস রাস্তায় নামলেও, নামেনি বেসরকারি বাস। তারপরেই পরিবহন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বসেছিলেন বৈঠকে। সেখানে জানানো হয়েছিল আগে রাস্তায় নামানো হোক বাস, তারপর বাস ভাড়া নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে। এই মুহূর্তে ভাড়া বাড়ানো সম্ভব নয় বলেই জানানো হয়েছিল।

ads

তার পরেই রাজ্যের বেসরকারি বাসের সংখ্যা বাড়াতে বাস মালিকদের সংগঠন গুলির রাজ্য সরকারকে লিখিত প্রস্তাব দিতে চলেছে বলে জানা গিয়েছে। রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে তাদের একাধিক আবেদন সেখানে উল্লেখিত থাকবে। জয়েন্ট কাউন্সিল অফ বাস সিন্ডিকেটের নেতা তপন বন্দ্যোপাধ্যায় এই প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, পরিবহনমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেন যে বাস ভাড়া বাড়ানো সম্ভব নয়। ফলে বিকল্প রাস্তায় দেখতে হবে বাস মালিকদের। বাস চালানোর বিকল্প রাস্তা দেখতে গিয়ে সামনে পড়ে যাচ্ছে বহু খরচ। যা চালানো সম্ভব নয়। যার কারণে রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারের সহযোগিতার প্রয়োজন।

তিনি আরও জানিয়েছেন, লকডাউনে দীর্ঘদিন ধরে বাসগুলি দাঁড়িয়ে রয়েছে। অনেক বাসের বীমা ও অন্যান্য নথির বৈধতা উত্তীর্ণ হয়েছে। সেইসব নথি করাতে খরচ প্রচুর টাকার। এছাড়াও বাসগুলো দীর্ঘদিন ধরে দাঁড়িয়ে থাকার জন্য তাদের ব্যাটারি ও টায়ার অকেজো হয়ে পড়েছে। সে গুলির দাম কয়েক লক্ষ টাকা। তাই রাজ্য সরকারের কাছে দাবি প্রতিটি বাসের জন্য কমপক্ষে ২ লক্ষ টাকা করে সহজ ঋণের ব্যবস্থা করা হোক।

তিনি আরো জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে অনুরোধ করব জেলায় বাস চালাতে গেলে প্রচুর টাকা টোল ট্যাক্স দিতে হচ্ছে। সেই টাকা যেন মুকুব করা হয়। এই সমস্ত দাবি-দাওয়া তপন বাবুর সঙ্গে সহমত জানিয়েছেন বাস মালিকরা।

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে লকডাউন চলার কারণে কলকাতা সহ বিভিন্ন জেলায় বাস মালিকদের পড়েছে মাথায় হাত। তার সঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় দেখা গিয়েছে বাস চালকদের আত্মহত্যা। দীর্ঘদিন ধরে বাস বন্ধ থাকার কারণে আয় হয়নি কিছুই। রুজি-রোজগার বন্ধ থাকার কারণে অনেক বাস চালকই বেছে নিয়েছেন আত্মহত্যার পথ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here