corona news

নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনা আক্রান্ত নয়াবাদের বৃদ্ধের অবস্থা আশঙ্কাজনক হলেও পরিস্থিতির সামান্য উন্নতি হয়েছে। শুক্রবার তাঁর অবস্থার ক্রমশ অবনতি হওয়ায় ভেন্টিলেশন- এর মাত্রা বাড়ানো হয়। শনিবার অবস্থার খানিক উন্নতি হয়েছে। ভেন্টিলেশন- এর মাত্রা কিছুটা কমানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

এদিন পিয়ারলেস হাসপাতালের ফুসফুস বিশেষজ্ঞ জানান, নয়াবাদের ব্যক্তির অবস্থার খানিক উন্নতি হলেও এখনও আশঙ্কা কাটেনি। রক্তচাপ সামান্য কমেছে। ভেন্টিলেশনের মাত্রা কমানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, গতকাল ওই প্রৌঢ় মাল্টি অর্গান ফেইলিওরের দিকে যাচ্ছিলেন। তবে বর্তমানে সেই সম্ভাবনা একটু কমেছে। তাঁর বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গ কাজ করছে। অন্যান্য বিশেষজ্ঞ সংস্থার সঙ্গে আলোচনা করে ওই ব্যক্তিকে নতুন ওষুধ দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান চিকিৎসকরা।

পিয়ারলেস হাসপাতাল সূত্রে খবর, গতকাল ওই ব্যক্তির শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছিল। কিডনির সমস্যার সঙ্গে রক্তচাপের সমস্যাও দেখা দিয়েছে। হাইড্রো অক্সিন ক্লোরোকুইন দেওয়া হচ্ছে। ওষুধ দেওয়ার ফলে মাল্টি অর্গানের পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হবে বলে মত চিকিৎসকদের। এরপর শনিবার তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক হলেও খানিক উন্নতির দিকে বলেও জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। তবে শুক্রবার দেখা গিয়েছিল ফুসফুসের সমস্যা।

নয়াবাদের করোনা আক্রান্ত ওই প্রৌঢ়ের পরিবারের চারজনকে হোম আইসোলেশন থেকে নিয়ে আসা হয় এম আর বাঙ্গুর হাসপাতালে। সেঠানেই আইসোলেশন রয়েছেন আক্রান্তের স্ত্রী-পুত্র পুত্রবধূ এবং নাতি। ওই ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছিলেন এমন এক ব্যক্তিকে ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে। তাঁদের লালারসের নমুনা পাঠানো হয়েছে এসএসকেএম হাসপাতালে। সেই রিপোর্ট এখনো আসেনি।

নয়াবাদে ৬৬ বছর বয়সী এক প্রৌঢ়ের শরীরে মিলেছিল নোভেল করোনা ভাইরাস। ২৩ মার্চ শ্বাসকষ্ট ও কাশি নিয়ে তিনি পিয়ারলেস হাসপাতালে ভর্তি হন। তবে তাঁর বিদেশ যাওয়ার কোনো রেকর্ড নেই বলেই জানা গিয়েছে। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছিল, ওই প্রৌঢ় মেদিনীপুরে একটি অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। সেখানে বিদেশ ফেরত কিছু লোকের সংস্পর্শে আসেন। ওই বিয়েবাড়িতে বিদেশ ফেরত কারা এসেছিলেন, সে বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছে প্রশাসন। বর্তমানে কলকাতায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১০। ইতিমধ্যে কলকাতায় মৃত্যু হয়েছে একজনের।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here