donald trump
অবশেষে মুক্তি

মহানগর ডেস্ক: প্রেসিডেন্টের পর তিনি একজন সাধারণ নাগরিক। তারপরেও একের পর এক বিপদ তাঁর সামনে উপস্থিত হচ্ছে। প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মাথার ওপর আগে থেকেই ইমপিচমেন্টের খাঁড়া ঝুলছে। এবার নয়া সমস্যা। ৩ নভেম্বর মার্কিন নির্বাচনের পর তিনি জর্জিয়ার আধিকারিকদের ভোটের ফল পাল্টে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এই নির্দেশের জেরে কোনও আইন লঙ্ঘন হয়েছে কি না, সেই বিষয়ে মার্কিন প্রশাসন আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করল। অন্য দিকে ট্রাম্পের দ্বিতীয় দফায় ইমপিচমেন্টের বিচার দ্রুত সম্পন্ন করার বিষয়ে সেনেটররা ঐক্যমতে পৌঁচেছেন বলে জানা গিয়েছে।

মঙ্গলবার থেকে মার্কিন কংগ্রেসের উভয় কক্ষে ট্রাম্পের ইমপিচমেন্টের বিচারের মূল পর্ব শুরু হতে চলেছে। মার্কিন ক্যাপিটলে রক্তক্ষয়ী দাঙ্গার আগে উসকানিমূলক ভাষণ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে। বিচার শুরু আগেই ডেমোক্র্যাটরা দাবি করেছেন, তাঁদের কাছে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে। যদিও ট্রাম্পের আইনজীবীর দাবি, ওই দাঙ্গার সঙ্গে ট্রাম্পের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে কোনও যোগ ছিল না। বিক্ষোভকারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে সেখানে অংশগ্রহণ করেছিলেন। সেনেটে ট্রাম্প ইমপিচ হলে ভবিষ্যতে কোনও দিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হতে পারবেন না বা সরকারি কোনও আধিকারিক পদে নিযুক্ত হতে পারবেন না। তবে ট্রাম্পকে দোষী সাব্যস্ত করতে গেলে দুই তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থন লাগবে। সোমবার ট্রাম্পের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, এই বিচার অসংবিধানিক। ট্রাম্পের মেয়াদ এখন শেষ হয়ে গেছে। এখন ট্রাম্প সাধারণ নাগরিক। ট্রাম্প আমেরিকার প্রথম প্রেসিডন্ট যিনি দুবার ইমপিচমেন্টের বিচারের মুখে পড়ছেন।

অন্য দিকে, ভোটগণনার সময় জর্জিয়ায় সরকারি আধিকারিককে বিতর্কিত নির্দেশের তদন্ত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে। ভোট গণনার সময় তিনি জর্জিয়ার সরকারি আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছিলেন, যে করেই হোক তাঁকে জেতাতে হবে। বাইডেনের বিরুদ্ধে একটা বেশি ভোট পেলেও হবে। রিপাবলিকান অধ্যুষিত জর্জিয়াতে মার্কিন নির্বাচনের পর তিনবার ভোট গণনা হয়েছে। কিন্তু ট্রাম্প অল্প কয়েকটি ভোটে বাইডেনের কাছে হেরে যান।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here